ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) ক্রিকেটারদের সব বিষয় নিয়ে দেখভাল করে। গেল বছরখানেক ধরে এই সংগঠনটির কার্যক্রম একরকম বন্ধ হয়ে আছে। তবে আগামী মাসে নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংগঠনটিকে আবার নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কোয়াবের নির্বাচন। যেখানে সভাপতি পদে লড়বেন দুজন। তারা হলেন সাবেক ক্রিকেটার সেলিম শাহেদ ও বর্তমান ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন। এবারের কোয়াব নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদ আর থাকছে না। সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সভাপতি এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন হবে। সদস্য হবেন ৯ জন। এমনটা জানিয়েছেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।
আজ শুক্রবার নান্নু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত প্রায় ১২ জন মনোনয়নপত্র তুলেছেন। এর মধ্যে দুজন সভাপতি পদে এবং বাকি নয় জন সহ-সভাপতি ও সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় ১০ জন ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। কেবল সভাপতি পদেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সেলিম শাহেদ ও মিঠুন আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।’
কার্যনির্বাহী সদস্যে একটি পদ সংরক্ষিত নারী ক্রিকেটারদের জন্য রাখা হয়। নান্নু বলেন, ‘নারীরা যারা বর্তমানে জাতীয় দলে খেলছেন, তারা সবাই সদস্য হয়েছেন এবং তাদের নাম ইতোমধ্যেই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং এখানে কেউ বাদ পড়েনি। যেমনভাবে সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা, বর্তমান সক্রিয় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটাররা এবং সক্রিয় নারী ক্রিকেটাররা যারা জাতীয় দলে আছেন সকলেই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।’
আগামী ৪ সেপ্টেম্বর কোয়াবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। নান্নু বলেন, ‘আমরা আশা করছি ৪ তারিখের নির্বাচনে সবাই অংশগ্রহণ করবেন। ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা প্রস্তুত হয়েছে, যেখানে ২১২ জন নিবন্ধন করেছেন। আশা করছি, এই ২১২ জন ভোটারই উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদান করবেন।’
কোয়াব নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৮ সদস্য হলেন- নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, আকবর আলি, রুমানা আহমেদ, শামসুর রহমান শুভ, ইরফান শুক্কুর, খালেদ মাসুদ পাইলট ও ইমরুল কায়েস।
এসএস/টিকে