আগামী মাসের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সদস্যদের ভিসা না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এক বিবৃতিতে শুক্রবার মার্কিন প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
এ নজিরবিহীন পদক্ষেপ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে আরো ঘনিষ্ঠভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড় করাল, যে সরকার দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের বিরোধিতা করছে ও পশ্চিমতীরে অবস্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে গাজায় হামাসের সঙ্গে এক করে দেখতে চাইছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আসন্ন অধিবেশনকে সামনে রেখে ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগঠন (পিএলও) ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সদস্যদের ভিসা প্রত্যাহার ও বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পিএলও ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নিজেদের অঙ্গীকার মানতে ব্যর্থ হয়েছে ও শান্তি প্রক্রিয়ার সম্ভাবনাকে দুর্বল করেছে। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের জবাবদিহির মুখোমুখি করা আমাদের দায়িত্ব।’
পররাষ্ট্র দপ্তর ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অভিযোগ এনে ‘আইন লঙ্ঘনের’ অভিযোগ এনেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা বন্ধ করতে হবে ও একতরফাভাবে ‘কল্পিত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের’ স্বীকৃতি আদায়ের উদ্যোগ থেকেও বিরত থাকতে হবে।
জাতিসংঘ সদরদপ্তর নিউ ইয়র্কে হওয়ায় চুক্তি অনুযায়ী আয়োজক দেশ হিসেবে কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন বলছে, জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি মিশনের জন্য ভিসা দেওয়া হচ্ছে, তাই তারা ওই চুক্তি লঙ্ঘন করছে না।
এসএস/টিকে