এখন সবচেয়ে বড় সংস্কার হলো নির্বাচন : ড. মাহাদী আমীন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে রাষ্ট্র ফিরিয়ে দেওয়া তাই। এখন সবচেয়ে বড় সংস্কার হলো নির্বাচন।

আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে কবি নজরুল সরকারি কলেজ সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. মাহাদী আমিন বলেন, আমরা জনগণের কাছে ছুটে যাই, জনগণই সেই ক্ষমতা দেয়। তারাই আমাদের পছন্দ করে ঠিক করবে, কাকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করবে। এসময় জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

দেশে আর আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) পুনর্বাসনের রাজনীতি হবে না উল্লেখ করে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, জাতীয় পার্টির যেকোনো অপচেষ্টা দমন করা হবে। আলোচনা শেষে জুলাই বিপ্লবে সাহসী সাংবাদিকদের সম্মাননা তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মো. দেলাওয়ার হোসেন বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণ ছাত্ররা যেভাবে লড়াই করেছে, গণমাধ্যম কর্মীরাও কোনো দিক থেকে কম ছিল না। তারাও তাদের জীবন দিয়ে দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর থেকেই একটি চক্র আবারো এই বাংলার মাটিতে সেই ফ্যাসিস্টকে পুনর্বাসন করার জন্য পাঁয়তারা করছে। আমাদের সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেই ফ্যাসিবাদী চক্রের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে, তা না হলে সেই কালো অধ্যায় আবার আসবে। এই শত শত শিক্ষার্থীর জীবন বৃথা হয়ে যাবে।

কবি নজরুল সরকারি কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আতিক হাসান শুভ’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন– বিএনপির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সহ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

 পিএ/টিকে 

Share this news on:

সর্বশেষ

img
দিল্লিতে লুমিনিয়ার্সের কনসার্ট আগামী ফেব্রুয়ারিতে! Aug 31, 2025
img
ডাকসুতে ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিটের শুনানি মঙ্গলবার Aug 31, 2025
img
হাসনাত আবদুল্লাহর খোঁজ নিলেন রুমিন ফারহানা, পাঠালেন উপহারও Aug 31, 2025
img
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির বিকল্প নেই : এমএ আজিজ Aug 31, 2025
img
এশিয়া কাপের আগে প্রিয়জন হারালেন রশিদ Aug 31, 2025
img
আপনারা গণতান্ত্রিক মব নিয়ে এগিয়ে যান : জুলকারনাইন সায়ের Aug 31, 2025
img
রাকসু কার্যালয়ে মুখোমুখি অবস্থানে শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল, আহত ১ Aug 31, 2025
img
নেত্রকোনায় ২ পক্ষের সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ প্রাণ গেল ৩ জনের Aug 31, 2025
img
শরীরে আপত্তিকর স্পর্শ, ইন্ডাস্ট্রি ছাড়ার ঘোষণা অভিনেত্রী অঞ্জলির Aug 31, 2025
img
‘ডাক্তাররা টাকা খাওয়ায় ২০% চিকিৎসা ব্যয় বাড়ে’ বক্তব্যের প্রতিবাদ ড্যাবের Aug 31, 2025
img
ঐন্দ্রিলার রহস্যময় পোস্টে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল Aug 31, 2025
img
ভারত ও চীন সম্পর্ক: শি জিনপিংকে নতুন প্রতিশ্রুতি দিলেন নরেন্দ্র মোদি Aug 31, 2025
img
৪৩ বছর পর জয়ের স্বাদ পেল বিশ্বের তৃতীয় পুরোনো পেশাদার ক্লাব Aug 31, 2025
img
ফিফার নিষেধাজ্ঞায় বসুন্ধরা কিংস Aug 31, 2025
img
ইরাকে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন নগরীর সন্ধান Aug 31, 2025
img
রাবি ছাত্রদলের ভাঙচুরে রাকসু কার্যালয়ের কার্যক্রম স্থবির Aug 31, 2025
img
‘লিটনের ফর্মে থাকাটা বাংলাদেশের জন্য অনেক জরুরি’ Aug 31, 2025
img
আইসিইউ থেকে নুরকে নেওয়া হতে পারে কেবিনে! Aug 31, 2025
img
বাগদানের পর পুরনো ছবি ঘিরে নতুন ঝড় টেলর সুইফটের জীবনে Aug 31, 2025
img
অনুমতি ছাড়াই তারকাদের নামে মেটার চ্যাটবট Aug 31, 2025