বিএনপি একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ রোববার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিভিন্নভাবে একটি মহল দেশকে ভিন্ন খাতে পরিচালিত করার চেষ্টা করছে। নির্বাচন বিঘ্নিত করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সংখানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে না বলে হুমকি দেয়া হচ্ছে। তবে কারও এ ধরণের হুমকিতে মাথা নত করতে রাজি নয় দেশের জনগণ। নির্বাচনের মধ্য দিয়েই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন, বিএনপিও রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে।
এদিকে, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, নির্বাচনকে বিঘ্নিত করতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। এমনকি দেশের মধ্যেও ভারতীয় দালালরা সক্রিয় হয়েছে। জামায়াতের অবস্থানও ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে আওয়ামী লীগ দেশে নানাপ্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাবে। সকল প্রকার দেশবিরোধী তৎপরতা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।
অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যে সংস্কার জনগণ বোঝে না, সেই সংস্কার জনগণ গ্রহণ করবে না। নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা বোধ করছি। সরকার ও কমিশনের আন্তরিকতা যথেষ্ট নয়। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলেও ফ্যাসিবাদ নির্মূল হয়নি। সরকার ও কমিশনের সদিচ্ছা যতই থাকুক, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত জনমনে শঙ্কা থাকবে।
একই অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, নির্বাচন বিলম্বিত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। দেশে-বিদেশে অবস্থান করে পতিত ফ্যাসিবাদীরা ষড়যন্ত্র করছে। দেশের থাকা একটি গোষ্ঠীও নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চক্রান্ত করছে।
পিএ/টিএ