খবর
দ্বিতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেও ভালো ফল করেছে তিনটি ওষুধের যৌথ প্রয়োগ। ওষুধ তিনটি হলো- ইন্টারফেরন বিটা-১ বি, লোপিনাভির-রিটোনাভির ও রিবাভাইরিন। গবেষকরা বলছেন এই ওষুধ ত্রয়ী মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার কোভিড-১৯ চিকিৎসা করতে সক্ষম। এই তিনটি ওষুধের সংমিশ্রণ ভাইরাল শেডিংয়ের সময়কালও হ্রাস করতে কার্যকর।
করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তারাই সর্বপ্রথম এ জিনোম সিকোয়েন্সের কাজ শেষ করেছে। এর ফলে ভাইরাসটির গতি প্রকৃতি নির্ণয় করতে পারবেন গবেষকরা।