© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে প্রত্যেক অভিবাসীকে ৩ হাজার ডলার করে দেবে ট্রাম্প প্রশাসন

শেয়ার করুন:
স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে প্রত্যেক অভিবাসীকে ৩ হাজার ডলার করে দেবে ট্রাম্প প্রশাসন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৩১ পিএম | ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ যারা স্বেচ্ছায় নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, তাদের প্রত্যেককে ৩ হাজার ডলার করে সহায়তা দেওয়া হবে। নগদ সহায়তার পাশাপাশি অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরার জন্য বিনা মূল্যে বিমান টিকিটও দেওয়া হবে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে এই সহায়তার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক কম ছিল। বর্তমান প্রশাসন তা তিন গুণ বাড়িয়ে ৩ হাজার ডলার নির্ধারণ করেছে। ডিএইচএস জানিয়েছে, নগদ সহায়তার পাশাপাশি অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরার জন্য বিনা মূল্যে বিমান টিকিটও দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব ক্রিস্টি নোম এক বিবৃতিতে বলেন, 'অবৈধ অভিবাসীদের উচিত এই উপহারটি গ্রহণ করে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করা। তারা যদি তা না করেন, তাহলে আমরা তাদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করব। সেক্ষেত্রে তারা আর কখনোই যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সুযোগ পাবেন না।'

ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছরের মার্চে 'সিবিপি হোম' নামে একটি অ্যাপ চালু করে, যার মাধ্যমে অভিবাসীরা সহজেই স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের আবেদন করতে পারেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় একই অ্যাপ 'সিবিপি ওয়ান' নামে পরিচিত ছিল এবং তখন এটি অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আইনিভাবে প্রবেশের কাজে ব্যবহৃত হতো।

ডিএইচএসের হিসাব অনুযায়ী, একজন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার, আটক রাখা এবং জোরপূর্বক বহিষ্কার করতে সরকারের গড়ে প্রায় ১৭ হাজার ডলার ব্যয় হয়। সে তুলনায় ৩ হাজার ডলার দিয়ে স্বেচ্ছায় ফেরত পাঠানো সরকারের জন্য অনেক বেশি সাশ্রয়ী।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় ট্রাম্প প্রতি বছর ১০ লাখ অভিবাসীকে প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত তার প্রশাসন প্রায় ৬ লাখ ২২ হাজার অভিবাসীকে প্রত্যাবাসিত করেছে। আগামী ২০২৬ সাল থেকে এ অভিযান আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এই লক্ষ্যে হাজার হাজার নতুন এজেন্ট নিয়োগ, নতুন ডিটেনশন সেন্টার (আটক কেন্দ্র) নির্মাণ এবং অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার উদ্যোগ নিচ্ছে মার্কিন সরকার।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন