© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

অমিতাভের নাতি অগস্ত্যকে ‘চুমু’ রেখার, চোখে জল বিগ বি’র!

শেয়ার করুন:
অমিতাভের নাতি অগস্ত্যকে ‘চুমু’ রেখার, চোখে জল বিগ বি’র!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:১১ পিএম | ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
বহু দশক পেরিয়েও থামেনি সেই পুরনো ‘সিলসিলা’। অমিতাভ বচ্চন আর রেখার নাম একসঙ্গে এলেই আজও আলোচনার ঝড় ওঠে। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, কিন্তু তাঁদের ঘিরে জল্পনার আবহ যেন একই রয়ে গিয়েছে। আজও প্রকাশ্যে একসঙ্গে দেখা যায় না জয়া বচ্চন ও অমিতাভ বচ্চনকে রেখার আশপাশে। অভিষেক বা শ্বেতাকেও খুব একটা কথা বলতে দেখা যায় না বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর সঙ্গে। ব্যতিক্রম শুধু বচ্চন পরিবারের বউমা ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, যিনি রেখাকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেন।

সেই আবহের মধ্যেই অমিতাভ বচ্চনের নাতি অগস্ত্য নন্দাকে ঘিরে রেখার এক মুহূর্তে ফের উত্তাল হয়ে উঠল নেটদুনিয়া। সোমবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ে ছবির বিশেষ প্রদর্শনীতে ক্যামেরাবন্দি সেই দৃশ্য এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

কাঞ্চিপুরম শাড়িতে স্নিগ্ধ সাজে অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন রেখা। বয়স একাত্তর হলেও তাঁর উপস্থিতি মানেই আলাদা আকর্ষণ। তারকাখচিত সেই সন্ধ্যায় লাল গালিচায় পা দিয়েই আলোকচিত্রীদের সঙ্গে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এরপরেই ঘটে যায় সেই মুহূর্ত, যা ঘিরে শুরু হয় নতুন আলোচনা। অগস্ত্য নন্দার অভিনীত ছবি ‘ইক্কিস’-এর পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে স্নেহভরে তাঁর মুখে হাত বুলিয়ে চুম্বন আঁকেন রেখা। ক্যামেরার ফ্ল্যাশে বন্দি হয় সেই দৃশ্য, মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে নেটমাধ্যমে।

এই ছবি দেখেই অনুরাগীদের একাংশের মন্তব্য, পুরনো স্মৃতি কি সত্যিই কখনও মুছে যায়। অমিতাভ ও রেখার অতীত সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে অনেকেই আবেগে ভেসেছেন। কেউ কেউ লিখেছেন, সময় পেরোলেও অনুভূতির ছাপ থেকে যায়।

উল্লেখ্য, ‘ইক্কিস’ ছবির হাত ধরেই প্রথমবার বড়পর্দায় মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে চলেছেন অগস্ত্য নন্দা। তিনি অভিনয় করছেন পরমবীরচক্র সম্মানে ভূষিত শহিদ সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ ক্ষেত্রপালের চরিত্রে। এই ছবির কাহিনি একাত্তরের বসন্তের যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত। ছবিটি পরিচালনা করেছেন শ্রীরাম রাঘবন। অরুণ ক্ষেত্রপালের বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র।



বিশেষ এই প্রদর্শনীতে বচ্চন পরিবারের কেউ সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও আবেগে ভাসতে দেখা যায় অমিতাভ বচ্চন-কে। নিজের লেখায় নাতির শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, এই দিনটি তাঁর জীবনের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত। ছবির এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল প্রয়াত বাবার স্মৃতিতে। আয়োজনে ছিলেন ধর্মেন্দ্রর দুই পুত্র। তাঁদের আমন্ত্রণেই সেখানে উপস্থিত হন রেখা। আর সেখানেই আশীর্বাদের ছোঁয়ায় অগস্ত্যকে আদর করতে দেখা যায় তাঁকে।

এক ফ্রেমে ধরা পড়া সেই চুম্বনই যেন আবার ফিরিয়ে আনল অতীতের বহু না বলা গল্প। নীরবতায় ঢাকা সম্পর্ক, না বলা অনুভূতি আর স্মৃতির ভার নিয়েই রেখা আবারও শিরোনামে।

এসএন

মন্তব্য করুন