বগুড়ার তিনটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এবিএম মোস্তফা কামাল পাশার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা দাখিল করলেও ভোটারদের স্বাক্ষর ও তথ্যের অসংগতি থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
এ আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে থাকছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম, বিএনপির এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির, জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আসাদুল হক এবং গণফোরামের জুলফিকার আলী।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন- নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু এবং গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ সম্পদের বিবরণী জমা না দেওয়া এবং ফেরারি আসামি হওয়ায় অযোগ্য ঘোষিত হন। মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় তথ্যের গরমিল পাওয়া গেছে। অপর দুই প্রার্থীর ক্ষেত্রেও মামলার তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
এ আসনে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে বিএনপির মীর শাহে আলম, জামায়াতে ইসলামীর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জামাল উদ্দিনের।
বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি) আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শাহজাহান আলী তালুকদারের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির আব্দুল মহিত তালুকদার, জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তৌহিদুল ইসলাম এবং জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলাকালে জেলা পুলিশের সদস্যসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পিএ/টিএ