স্বর্ণের সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। এবার ভরিতে ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা।
গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে রুপার মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে সবশেষ গত বছরের ৮ জানুয়ারি সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৮৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার ৫৪০ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয় ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা। যা কার্যকর হয়েছিল গত ৯ জানুয়ারি থেকে।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৪দফা সমন্বয় করা হলো রুপার দাম। যেখানে দাম ২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
এদিকে, ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে একভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৬ষ্ঠ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২ দফা।
আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এমআর/টিএ