ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারা কোন প্রেক্ষাপটে শেয়ার কিনেছেন, সেটা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, এই পাঁচ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি শেয়ারহোল্ডারদের। বললেই তো হবে না, এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যা বলছি, আমানতকারীরা টাকা পাবেন, এটা খুবই সরল হিসাব। যার টাকা জমা আছে, তিনি টাকা পাবেন। আর শেয়ারধারীরা শেয়ার কিনেছেন কোন পটভূমিতে—বাজারদরে (মার্কেট প্রাইস) কিনেছেন, শেয়ারধারীরা মালিক হতে চেয়েছেন।’
৫ আগস্টের আগে এই পাঁচ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন যারা অডিট করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কি না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই। সেটা দেখা হচ্ছে। যাই হোক, এখন সব কথা বলা যাবে না।
ভেনেজুয়েলা ও ইরানে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। এতে জ্বালানি তেলের দামে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে; সে বিষয়ে সরকার কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন প্রশ্ন করা হলে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জ্বালানির ব্যাপারে দীর্ঘমেয়াদি একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। জ্বালানি তো আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ। জ্বালানি যদি আমরা এনসিওর না করতে পারি, লোকাল প্রোডাকশন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জ্বালানির দুটি দিক আছে—পাওয়ার এবং এনার্জি। ওই দুটি দিকে একটা কমপ্রিহেনসিভ করা হয়েছে। আমাদের নিজস্ব অফশোর ড্রিলিং, তারপরে কয়লার ব্যবহারটা কীভাবে করব। মধ্যপাড়া কয়লাটা আছে, সেটা হার্ড রক। এগুলো একটা কমপ্রিহেনসিভ ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পে-স্কেলের বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, কমিশনের ২১ সদস্য বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছেন এবং খুব শিগগির তারা সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দেবেন। কমিশনের কাজ নিরবচ্ছিন্ন চলছে। বিভিন্ন পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কেউ লিখিতভাবে, কেউ সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। সব দিক বিবেচনা করেই সুপারিশ তৈরি করা হচ্ছে।
এবি/টিএ