যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক হুমকির মুখে এবার গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি জোরালো করছে ডেনমার্ক। বিষয়টি ডেনিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক গণমাধ্যম।
আর্কটিক সার্কেলের সুরক্ষা বিবেচনায় ইতোমধ্যে গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে ডেনমার্ক। এর আগে অঞ্চলটিতে সামরিক কর্মকর্তাদের একটি দল মোতায়েনের ঘোষণা দেয় সুইডেন।
স্বায়ত্ত্বশাসিত হলেও রাজনৈতিকভাবে ডেনমার্কের অংশ গ্রিনল্যান্ড। সম্প্রতি ইউরোপের এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আঞ্চলিক ও জাতীয় সুরক্ষার কথা বিবেচনায় বেশ কয়েকবার গ্রিনল্যান্ড দখলে নেয়ার দাবি জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
কোপেনহেগেনে ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেন, এখনই যদি সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র নয় ডেনমার্ককেই বেছে নেবে গ্রিনল্যান্ড।
বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলেও উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ড সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা ও আর্কটিক অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নজরদারিতে এর গুরুত্ব অনেক।
গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমে পিটুফিক ঘাঁটিতে বর্তমানে শতাধিক মার্কিন সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই এই ঘাঁটি পরিচালনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী, প্রয়োজনে আরও সেনা পাঠানোর সুযোগও রয়েছে।
এমআই/এসএন