বলিউডে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচিত নীল নীতিন মুকেশ। পর্দায় তার শক্তিশালী উপস্থিতি বরাবরই তাকে করেছে দর্শকপ্রিয়। তবে ১৭ বছরের কর্মজীবনে তার একাধিক ছবি বক্স অফিসে অসফল হয়। তা সত্ত্বেও কোটি টাকার মালিক এই অভিনেতা। আজ ৪৪ বছর পূর্ণ করলেন নীল নীতিন মুকেশ।
শৈশবে সংগীতের আবহে বড় হলেও নীল বেছে নিয়েছিলেন অভিনয়। তার নামও রেখেছিলেন কিংবদন্তি গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। মহাকাশচারী নীল আমস্ট্রং এর নাম অনুকরণ করে তার নামকরণ করা হয়েছিল।
নীল শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম অভিনয় করেছিলেন ‘বিজয়’ নামের একটি ছবিতে। ২০০৭ সালে ‘জনি গাদ্দার’ ছবিতে অভিনয় করে প্রথম নজর কাড়েন নীল। এরপর ‘আ দেখে জারা’ নামে একটি ছবিতে অভিনয় করেন।
নীলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছবি হল ‘নিউ ইয়র্ক’। এরপরে ‘জেল’, ‘লাফাঙ্গে পারিন্দে’, ‘সাত খুন মাফ’, ‘প্লেয়ার্স’ সহ বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। কিন্তু অধিকাংশ ছবিই বক্সঅফিসে ফ্লপ।
নীলের ১৭ বছরের কর্মজীবনে ১১টিরও বেশি ছবি অসফল। একসময়ে ‘বলিউডের সবচেয়ে অসফল নায়ক’ তকমাও পেয়েছিলেন তিনি। তবে সম্পত্তির দিক থেকে পিছিয়ে নেই নীল।
জানা যায়, নীল ৪০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। এরমধ্যে রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি থেকে নানা রকমের দামি গাড়ি।
বর্তমানে অভিনয় থেকে কিছুটা সরে গেলেও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হয়ে প্রচার করেন নীল। এছাড়া প্রযোজনা সংস্থা রয়েছে তার। সেখান থেকেই তার উপার্জন হয়।
২০০৭ সালে নীলের প্রথম ছবি ‘জনি গাদ্দার’ সমালোচকমহলে প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু বক্সঅফিসে মাত্র ৫.৬৮ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল ছবিটি। একাধিক ছবি অসফল হওয়ায় বলিউড থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন তিনি।
২০২৩ সালে আর মাধবনের সঙ্গে ‘হিসাব বরাবর’ ছবিতে আবারও দেখা যায় তাকে। তবে এই ছবিটিও বক্স অফিসে আশানুরূপ সাড়া ফেলতে পারেনি।
এমআই/এসএন