অভিনয়ের জগতে দীর্ঘদিন কাজ করলেও প্রকৃত পরিচিতি আসে জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিঠাই’-এর মাধ্যমে। সেই ধারাবাহিকের পর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সৌমিতৃষা কুণ্ডুকে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তাঁর ওয়েব সিরিজ ‘কালরাত্রি’ সিজন দুই, যেখানে তিনি দেবী চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি এখন আরেকটি কারণে আলোচনায় রয়েছেন অভিনেত্রী রাজনীতির মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি।
সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে প্রায়ই দেখা যাচ্ছে সৌমিতৃষাকে। শাসক দলের একাধিক অনুষ্ঠানে তাঁর অংশগ্রহণ নজর কাড়ছে। আর তা থেকেই শুরু হয়েছে জল্পনা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কি তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়তে পারেন তিনি।
এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে সম্প্রতি ২৪ ঘণ্টাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌমিতৃষা বলেন, “অবশ্যই। তবে আমার বয়স এখনও কম। বিষয়টা এতদূর গড়াতে পারে কি না, তা আমি আগে
ভাবিনি। কখনও কিছু পাওয়ার আশায় আমি কোথাও যাইনি।” একই সঙ্গে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর ভাষায়, “আমি আমাদের দিদিকে, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুব ভালোবাসি। তাঁকে দেখে আমি অনুপ্রেরণা পাই। তাই আমাকে যেখানে ডাকা হয়, সেখানে যাই।”
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে কালার্স বাংলার ধারাবাহিক ‘গুরুদক্ষিণা’ দিয়ে অভিনয়ে পথচলা শুরু করেন সৌমিতৃষা। ২০২১ সালে ‘মিঠাই’ তাঁকে পৌঁছে দেয় জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ধারাবাহিকটি শেষ হওয়ার আগেই দেবের বিপরীতে ‘প্রধান’ ছবির প্রস্তাব পান তিনি। এরপর তাঁকে দেখা যায় ‘১০ই জুন’ ছবিতে এবং হইচই প্ল্যাটফর্মে ‘কালরাত্রি’ ওয়েব সিরিজে।
বর্তমানে বাংলা বিনোদন জগতের বহু পরিচিত মুখই রাজনীতিতে সক্রিয়। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিজেপি দুই শিবিরেই দেখা যাচ্ছে একাধিক তারকাকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অনেক শিল্পীর কাছেই রাজনীতি এখন বিকল্প কর্মক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোন তারকা কোন দলে প্রার্থী হন, সেটাই এখন বড় আলোচনার বিষয়।
পিআর/এসএন