এই সপ্তাহে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছে তিনটি হিন্দি ছবি। বাংলা ছবির মুক্তি এই সময়ে নেই; বর্তমান সময়ে শুধু ‘প্রজাপতি ২’, ‘স্বার্থপর’ এবং ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’ ছবিগুলোই প্রেক্ষাগৃহে টিম টিম করে চলছে।
প্রথম ছবি ‘হ্যাপি পটেল: খতরনাক জাসুস’। কৌতুক অভিনেতা বীর দাস পরিচালিত এই ছবিতে দেখা যাবে আমির খান, ইমরান খান, শারিব হাশমী, মোনা সিংহ ও মিথিলা পালকরকে। বিদেশে নানা পুরস্কার জিতেছেন বীর। মাঝের কয়েক বছর মঞ্চকে গুরুত্ব দেওয়ার পর এবার তিনি বড়পর্দায় ফিরছেন। মুম্বইয়ে ছবির বিশেষ প্রদর্শনী ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে, দর্শকরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
টলিউড অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডু সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন থেকে এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য সমন পেয়েছেন। সব সঠিক নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও তাঁর নামের বানান ভুল করা হয়েছে, এমন অভিযোগ তিনি তুলেছেন। তাঁর বাবা-ও একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।
আনন্দবাজার ডট কমকে সৌমিতৃষা বলেন, “এ বার বুঝতে পারছি, কেন প্রবীণ নাগরিকেরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এমন হঠাৎ ডাক এবং তাড়াহুড়োতে হাজিরা দিতে হলে অনেক জরুরি কাজ বাতিল করতে হয়। চার দিন আগে জানানো হয়েছে, তাই বেশ সমস্যায় পড়েছি।”
সমন সংক্রান্ত প্রসঙ্গে সৌমিতৃষা আরও বলেন, “কাদের সঙ্গে তুলনা করছেন! যেখানে দেবদাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে, সেখানে আমি কে?” উল্লেখ্য, কবি জয় গোস্বামী, দেবসহ একাধিক খ্যাতনামী ইতিমধ্যেই এসআইআর শুনানির হাজিরা দিয়েছেন।
নির্বাচনের আগে এই প্রক্রিয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে সৌমিতৃষা মন্তব্য করেন, “প্রক্রিয়ায় আপত্তি নেই। কিন্তু নির্বাচনের মাস দু’য়েক আগে এত হট্টগোলের মধ্যে সব হওয়া সমস্যা তৈরি করে। সারা বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চললে কারও সমস্যা হত না। শেষ মুহূর্তে এত তাড়াহুড়ো প্রবীণ নাগরিক বা অসুস্থ ব্যক্তিদের পক্ষে সম্ভব নয়।”
অভিনেত্রীর মতে, যদি বিএলওরা বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে আনেন, তা হলে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি অনুভব করতে পারবে। এই প্রক্রিয়ায় সবার মনে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা কমানোও প্রয়োজন।
পিআর/এসএন