ঐশ্বরিয়া রায় ও সালমান খানের পুরনো সম্পর্ক নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে এখনও ফিসফাস থামেনি। প্রকাশ্যে তাঁরা কখনও প্রেমের কথা স্বীকার না করলেও তাঁদের ঘিরে চর্চা আজও টিকে আছে, আর সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কুমার শানুর স্মৃতিচারণ।
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এই জুটির নাম উঠলেই ফিরে আসে নব্বইয়ের দশকের সেই আলোড়ন। সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানু সম্প্রতি স্মৃতির পাতা উল্টে জানালেন, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে কাজ করার সময় সালমানকে সবচেয়ে হাসিখুশি দেখেছিলেন তিনি। বিশেষ করে সঞ্জয় লীলা ভানসালির ছবি ‘হম দিল দে চুকে সনম’-এর শুটিংয়ের কথা উল্লেখ করেন গায়ক। তাঁর কথায়, সেটে সালমান ও ঐশ্বরিয়াকে একসঙ্গে দেখলে চোখ ফেরানো যেত না, নায়ক যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি নায়িকাও অনন্য সৌন্দর্যের অধিকারী ছিলেন। ক্যামেরার সামনে তাঁদের রসায়ন ছিল চোখে পড়ার মতো, আর সেই সময় সালমানের মুখে ছিল অন্যরকম উচ্ছ্বাস।
বলিউডের গুঞ্জন অনুযায়ী, ওই ছবির সেট থেকেই তাঁদের ঘনিষ্ঠতা শুরু হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবির কাজ চলাকালীনই নাকি সম্পর্কের সূত্রপাত, যা নিয়ে তখন ইন্ডাস্ট্রি উত্তাল ছিল। তবে সেই প্রেম বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ২০০২ সালে তাঁদের পথ আলাদা হয়ে যায়, আর তারপর থেকে দু’জনেই নিজের মতো করে এগিয়েছেন জীবনে।
ঐশ্বরিয়া পরবর্তীকালে অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন এবং বলিউডে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন। অন্যদিকে সালমান খান ব্যক্তিগত জীবনে বিয়ে না করলেও একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন, কিন্তু পর্দায় তাঁর তারকাখ্যাতি কখনও ম্লান হয়নি। তবু ‘হাম দিল দে চুকে সানম’-এর সেই সময়টাই যেন আজও আলোচনায় সবচেয়ে রোমান্টিক অধ্যায় হিসেবে ফিরে আসে।
কুমার শানুর স্মৃতিচারণ আবারও মনে করিয়ে দিল, সেই শুটিংয়ের দিনগুলো শুধু একটি ছবির জন্মই দেয়নি, বরং তৈরি করেছিল বলিউডের অন্যতম আলোচিত জুটির এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
পিআর/টিকে