সংবাদমাধ্যমগুলোর ভুল স্বীকারের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ সততা এবং আন্তরিকতা দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম সাংবাদিকতা পেশায় তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি লিখেন, এএফপিতে কাজ করার সময় সাংবাদিকতা সম্পর্কে তিনি যে শিক্ষাগুলো পেয়েছিলেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো-ভুল করলে তা নিঃসংকোচে স্বীকার করা। কোনো ভুল বা মিথ্যা ঢাকতে অজুহাত দেওয়া কিংবা জটিল ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর প্রয়োজন নেই। বরং স্পষ্টভাবে ভুল স্বীকার করাই শ্রেয়। কারণ মানুষ বোঝে যে ভুল হতেই পারে, কিন্তু তারা সেই ভুল স্বীকারের মধ্যে সততা ও আন্তরিকতা দেখতে চায়।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর সমালোচনা করে প্রেস সচিব আরও লিখেন, দেশের গণমাধ্যমে এই আন্তরিকতা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেই অনুপস্থিত। তিনি উল্লেখ করেন, যখন কোনো ভুল বা মিথ্যাচার ধরিয়ে দেওয়া হয়, তখন তা উপেক্ষা করাই এখানকার স্বাভাবিক রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো ভুলের পরিপ্রেক্ষিতে জবাবদিহিতা চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সম্পাদকরা অজুহাত দেখান অথবা বিভ্রান্তিকর ভাষা ব্যবহার করে ভুলকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
তিনি আরও বলেন, অনেক সময় ভুল সংশোধনের জন্য চাপ বাড়লে গণমাধ্যমগুলো নীরবে ওই প্রতিবেদনটি মুছে ফেলে। এক্ষেত্রে পাঠকদের তারা এটাও জানানোর প্রয়োজন মনে করে না যে, ভুলের কারণেই প্রতিবেদনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
কেএন/টিকে