দীর্ঘ ২২ বছর পর আজ সিলেটে আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও সিলেটের দামান তারেক রহমান। তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে সিলেটজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশেষ করে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামে অবস্থিত তার শ্বশুরবাড়ি ‘রাহাত মঞ্জিল’-এ চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
১৯৩৩ সালে নির্মিত ঐতিহ্যবাহী এই বাড়িটিকে ঘিরে সকাল থেকেই ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে। বাড়ির একপাশে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রংয়ের কাজ, অন্যপাশে চলছে অতিথি আপ্যায়নের প্রস্তুতি। এলাকাবাসী জানান তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ২০ জানুয়ারি থেকে চলছে সাজসজ্জা ও আয়োজনের প্রস্তুতি।
জানা গেছে, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে প্রায় ১২ হাজার মানুষের জন্য সিলেটের ঐতিহ্যবাহী আখনি রান্না করা হচ্ছে। এ জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে প্রায় ৪০টি বড় হাঁড়ি। রান্না ঘিরে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
তারেক রহমানের স্ত্রী ডা জুবাইদা রহমানের চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলী খান বাংলাদেশ টাইমসকে বলেন, “তারেক রহমানের আগমন ঘিরে দক্ষিণ সুরমার মানুষের মাঝে চাঁদরাতের মতো আনন্দ ও উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।” তিনি আরও জানান, তারেক রহমান শশুরবাড়িতে পৌঁছানোর পর একটি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোসহ জুবাইদা রহমান ও তারেক রহমানের পরিবার এবং দেশের শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হবে।
দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে শুধু বিরাহিমপুর গ্রাম নয়, আশপাশের এলাকাতেও মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই এই সফরকে সিলেটবাসীর জন্য একটি বিশেষ ও স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।
এসএন