ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘গণভোট, নির্বাচন, সংবিধান সংস্কার এই সবকিছু আপনাদের হাতে। অনেকেই এখনো ষড়যন্ত্র করছেন নির্বাচন বানচাল করার। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র আছে, তারা অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করতে চায়। কিন্তু সেটি হতে দেওয়া হবে না।
১২ ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতেই হবে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সাকি বলেন, ‘‘অভ্যুত্থান রায় দিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা অন্যায় করেছে তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
অভ্যুত্থান রায় দিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশকে আর কেউ ফ্যাসিবাদী কিংবা জমিদারি রাষ্ট্রে কায়েম করতে পারবে না। দেশকে সংস্কার করে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অভ্যুত্থান রায় দিয়েছে মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এজন্য আমাদের দরকার নির্বাচন।
যদি ন্যায়বিচার চাই, সংস্কার চাই, যদি নতুন গণতান্ত্রিক রাজনীতি চাই তাহলে আমাদের নির্বাচন দরকার। ’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলি, বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার, নাগরিকের মর্যাদা তৈরি করেছে। কোনো ষড়যন্ত্র দিয়ে এই জাতিকে থামানো যাবে না।’
এ সময় বিএনপির নেতারা বলেন, জোনায়েদ সাকির মাথাল মার্কা মানে ধানের শীষ, ধানের শীষ মানে মাথাল মার্কা। মাথাল মার্কা হেরে গেলে ধানের শীষ হেরে যাবে, বিএনপি হেরে যাবে, তারেক রহমান হেরে যাবে।
মাথাল মার্ক বিজয়ী হলে বিএনপির বিজয় হবে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক, জেলা বিএনপির সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহসিন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ফরিদ ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালে মুছাসহ প্রমুখ।
আইকে/টিএ