শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) লুলা বলেছেন, ট্রাম্পের এ পরিকল্পনা জাতিসংঘকে সংস্কার করার বদলে নিজের নিয়ন্ত্রণে নতুন সংস্থা বানানোর চেষ্টা চলছে।
খবর অনুযায়ী, এই সংস্থায় স্থায়ী সদস্য হতে হলে ১০০ কোটি ডলার দিতে হবে। এর চেয়ারম্যান থাকবেন ট্রাম্প নিজে। এজন্য অনেক দেশের নেতা, লুলাসহ এ সংস্থায় যোগ দিতে চাননি।
গত বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ট্রাম্প এই পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। সেখানে ১৯ দেশের নেতা ও প্রতিনিধি প্রথমে সই করেন।
লুলা বলেন, বর্তমান সময়ে বিশ্বের অনেক দেশ শক্তি দেখানোর চেষ্টা করছে, যা বিপজ্জনক। তিনি বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ও জাতিসংঘের গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
এক দিন আগে লুলা চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। ওই ফোনালাপে শি জিনপিং জাতিসংঘের মূল ভূমিকা বজায় রাখার পরামর্শ দেন।
লুলা আরও বলেন, এই নতুন সংস্থা প্রাথমিকভাবে গাজা পুনর্গঠনের দায়িত্ব নেবে। কিন্তু ভবিষ্যতে এর ক্ষমতা ফিলিস্তিনের বাইরেও হতে পারে। এটি জাতিসংঘের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে।
ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যও এই পরিকল্পনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে অন্তর্ভুক্ত করায় আপত্তি জানিয়েছে। ফ্রান্স বলেছে, জাতিসংঘের নিয়ম ও আন্তর্জাতিক শর্তের সঙ্গে সংস্থার নিয়ম মেলে না।
পিএ/টিকে