বাংলাদেশে গত ৫৪ বছরে যে চটকদারি কথা বলার রাজনীতি হয়েছে, তা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে আর চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম।
তিনি বলেছেন, আমরা যদি বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাস দেখি, তাহলে অনেক চটকদার কথা বলার রাজনীতি দেখতে পাই। কিন্তু, ওই চটকদার কথার মাধ্যমে তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এমন চটকদারি কথা বলার রাজনীতি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে আর চলবে না, চলতে দেওয়া হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকা-৭ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১০ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ হাজী মো. এনায়েত উল্লাহর নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, আমরা রাজনৈতিক দলগুলোকে বলতে চাই আপনাদের অবশ্যই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। এর বিকল্প নেই। দুঃখজনক বিষয় হলো, একটি বড় রাজনৈতিক দল ঘণ্টার পর ঘণ্টা বক্তব্য দেয়, কিন্তু হ্যাঁ এর পক্ষে একটি কথাও বলে না। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আপনারা আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করুন। আপনারা হ্যাঁ, নাকি না এর পক্ষে সেটি আপনাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। আপনারা না এর পক্ষে হলে দেশের জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটে তার উচিত জবাব দেবে।
তিনি বলেন, আমরা এই পুরান ঢাকায় পাথর দিয়ে মানুষ মারতে দেখেছি। এই আসনে অনেক জুলুম হতে দেখেছি। ইনসাফ কায়েম করতে এনায়েত উল্লাহ ভাইকে বিজয় করতে হবে। তিনিই পারবেন এই আসনে জনগণের ন্যায্য অধিকার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে।
ডাকসু ভিপি আরো বলেন, আমাদের আমির ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত ক্ষমতায় আসলে ৪০ লাখ যুবকের চাকরি নিশ্চিত করা হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে বেকার যুবক রয়েছে ২৫ লাখ, তাদের সবাইকে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। আপনারা তার উপর ভরসা রাখুন, দেশে আর কোনো বেকার থাকবে না।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দের পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে সব দলের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার চালানো যাবে।
এসএন