ভারতীয় সিনেমার বক্স অফিসের ইতিহাস নতুন করে লিখতে গেলে সবার আগে যে নামটি উঠে আসে, তিনি আমির খান। টানা পাঁচটি শিল্পসফল ছবি দিয়ে তিনি একাই ভেঙেছেন আগের সব আয়সংক্রান্ত নজির। এসব ছবি শুধু সফল হয়নি, সর্বভারতীয় পর্যায়ে আগের সব সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়ে বাণিজ্যিক সাফল্যের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে। ‘গজনি’ থেকে শুরু করে ‘দঙ্গল’—প্রতিটি ছবিতেই আমির খান প্রমাণ করেছেন, দর্শকের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাওয়াই তাঁর লক্ষ্য।
এই তালিকায় তাঁর পরেই রয়েছেন শাহরুখ খান। তিনটি শিল্পসফল ছবির মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিনের তারকা আধিপত্য আরও একবার প্রতিষ্ঠা করেছেন। সময় বদলালেও বক্স অফিসে তাঁর প্রভাব যে অটুট, সেটিই স্পষ্ট হয়েছে এসব সাফল্যের মাধ্যমে।
দুইটি শিল্পসফল ছবি নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন সানি দেওল। অ্যাকশন ও দেশপ্রেমঘন ছবির মাধ্যমে দর্শককে বারবার হলমুখী করতে পেরেছেন তিনি। অন্যদিকে সালমান খান ও রণবীর সিংয়ের ঝুলিতে রয়েছে একটি করে শিল্পসফল ছবি। বিশেষ করে রণবীর সিংয়ের সাম্প্রতিক ছবি ‘ধুরন্ধর’ বক্স অফিসে ঝড় তুলে তাঁকে এই বিশেষ তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে।
এই সাফল্যগুলো শুধু ব্যক্তিগত তারকাখ্যাতির গল্প নয়। বরং প্রতিটি শিল্পসফল ছবি ভারতীয় সিনেমার বাণিজ্যিক মানদণ্ডকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আয়ের অঙ্ক, দর্শকসংখ্যা এবং বাজার বিস্তারের দিক থেকে এসব ছবি পুরো ইন্ডাস্ট্রির জন্য নতুন দিশা দেখিয়েছে। তারকাদের এই রেকর্ডভাঙা যাত্রা প্রমাণ করে, সঠিক গল্প, উপস্থাপনা ও দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারলে বক্স অফিসে অসম্ভব বলে কিছু নেই।
এমকে/টিএ