বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য এয়ার কমডোর নুর-ই আলম বলেছেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়ে নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ যেসব সুপারিশ করেছে, তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। কারণ সবার সঙ্গে আলোচনা করেই এই রানওয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর কারণে নৌচলাচলে কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক গণশুনানিতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে রানওয়ে নিয়ে কথা বলছেন বেবিচক কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক গণশুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিমানবন্দর ব্যবহারকারীদের সেবার মান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
বেবিচক সদস্য বলেন, ‘বেবিচক কক্সবাজার বিমানবন্দরের সব ধরনের কাজ সম্পন্ন করেছে। সরকার চাইলে যেকোনো মুহূর্তে এটিকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর ঘোষণা করতে পারে।’
গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব এস এম লাবলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. নুরুল হুদা, বেবিচকের পরিচালক (সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) ও উপসচিব সানিউল ফেরদৌস। এছাড়া সাধারণ যাত্রী ও বিমান পরিবহন সংশ্লিষ্টরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বিআইডব্লিউটিএর সুপারিশ ও প্রেক্ষাপট এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব বরাবর পাঠানো এক পত্রে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য সাগরে নির্মিত জেটিসহ অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদের সুপারিশ করেছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
সংস্থাটির চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মহেশখালী চ্যানেলের অভ্যন্তরে জেটি ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করায় নৌ চ্যানেলের ক্ষতি হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বিআইডব্লিউটিএর নিয়ন্ত্রণাধীন কক্সবাজার নদীবন্দরের সীমানায় এসব স্থাপনা নির্মাণের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্যাট ও আয়করসহ মোট ৪ কোটি ১২ লাখ ৬৩ হাজার ৮৩০ টাকা বকেয়া রাজস্ব আদায়ের উদ্যোগ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছিল।
আরআই/টিকে