বলিউডে চোখের মাধ্যমে আবেগ প্রকাশের দক্ষতা এমন এক শিল্প, যা অন্য কোনও ইন্ডাস্ট্রিতে সহজে দেখা যায় না। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই সিনেমা তারকারা শোনাতে শেখান যে শব্দ ছাড়া কীভাবে ব্যথা, ভালোবাসা, রাগ, অক্ষমতা এবং নীরবতা প্রকাশ করা যায়। এই দক্ষতা হল সেই মাপকাঠি যা ভালো অভিনয়কে কালজয়ী অভিনয়ের থেকে আলাদা করে।
শাহরুখ খানের গভীর দৃষ্টিভঙ্গি, সালমান খানের সযত্ন আবেগময় স্থিতি, রণবীর কাপুরের অন্তর্নিহিত দুর্বলতা, অজয় দেবগণের নিয়ন্ত্রিত গভীরতা, অক্ষয় কুমারের সূক্ষ্ম রূপান্তর এবং হৃত্বিক রোশনের তীব্র দৃষ্টিসম্পন্ন উপস্থিতি এরা শুধু দৃশ্যগুলো অভিনয় করেন না, বরং অনুভব করেন। তাদের চোখে গল্প লুকিয়ে থাকে, যা কখনও কখনও সংলাপের মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
সময়ের সঙ্গে শিল্পের ধারা পরিবর্তিত হলেও, চোখের মাধ্যমে আবেগ প্রকাশে বলিউডের দক্ষতা অপরাজেয়। বিষয়টি বড় বাজেট বা প্রজেক্টের পরিসরে নির্ধারিত নয়; এটি শিল্প, অভিজ্ঞতা এবং আবেগের সত্যিকারের উপলব্ধির ওপর নির্ভরশীল। এই দক্ষতা বলিউডকে শুধু সিনেমার জন্য নয়, দর্শকের হৃদয়ে গল্প বলার ক্ষেত্রে অনন্য করে তোলে।
পিআর/টিকে