নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বিভিন্ন কার্ড দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশের কোথাও কোথাও অগ্রিম চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানী মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে জামায়াত আমির একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের (নাম উল্লেখ না করে) প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘একটি দল সংস্কারের ব্যাপারে রহস্যজনকভাবে চুপ রয়েছে। দেশ ও জাতির স্বার্থে সংস্কারের বিষয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জামায়াত বেকার ভাতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দিয়ে অলস বানাতে চাই না; বরং প্রত্যেকের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান গড়ে তোলা হবে। এমনকি যারা বর্তমানে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তাদের হাতেও বৈধ কাজ তুলে দেয়া হবে যাতে তারা সুস্থ পথে ফিরতে পারে।’
বস্তি উচ্ছেদ ও গরিব মানুষের আবাসন নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত দিনে যারা গবিবদের বিল্ডিং বানিয়ে দেয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে, তারাই ক্ষমতায় গিয়ে তাদের উচ্ছেদ করেছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কোনো উচ্ছেদ নয়, বরং ক্ষতিগ্রস্তদের সম্মানজনক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হবে।’
নির্বাচনী প্রচারণায় নারী কর্মীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নারীরা এ দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের ওপর হাত তোলা কাপুরুষতা। যারা নারীদের ওপর হামলা করছে, তারা সুস্থ রাজনীতির শত্রু।’
জনসভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগরী পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
এমআর/টিকে