অভিনয় জীবনে অনেক সময় একটি সঠিক সিদ্ধান্ত বা বড় কোনো সুযোগ হাতছাড়া হওয়া ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটেছিল। তার ফিরিয়ে দেওয়া একটি কাজ পরবর্তীতে বিদ্যা বালানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সফল সিনেমায় পরিণত হয়।
২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘দ্য ডার্টি পিকচার’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্রের জন্য নির্মাতাদের প্রথম পছন্দ ছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতার জীবনীনির্ভর এই সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরও কঙ্গনা তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তীতে বিদ্যা বালান এই চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান।
এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন, এই ছবিতে অভিনয় না করার জন্য তার কোনো আক্ষেপ নেই। বলেছিলেন, আমি সবসময়ই বলেছি ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ একটি দুর্দান্ত সিনেমা। আমার মনে হয় না যে আমি বিদ্যা বালানের চেয়ে ভালো অভিনয় করতে পারতাম। তবে মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি সম্ভবত তখন এই ছবির সম্ভাবনাগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারিনি।
একটি মফস্বল শহরের মেয়ের নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন এবং পরবর্তীতে সাহসী অভিনয়ের মাধ্যমে খ্যাতি ও চরম একাকীত্বের কাহিনী নিয়ে নির্মিত হয়েছিল এই ছবি। মিলান লুথরিয়া পরিচালিত ও একতা কাপুর প্রযোজিত এই সিনেমায় বিদ্যা ছাড়াও অভিনয় করেছিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ, ইমরান হাশমি ও তুষার কাপুর।
বক্স অফিসেও সিনেমাটি অভাবনীয় সাড়া ফেলেছিল। সে সময় কেবল ভারতেই এটি ১০৭ কোটি ৬৬ লাখ রুপি বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মোট আয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১৬ কোটি ৫৫ লাখ রুপি। এই সিনেমার মাধ্যমেই বিদ্যা বালান তার ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ সময় পার করেন।
আইকে/টিকে