টলিপাড়ার মিষ্টি জুটির মধ্যে অন্যতম সোহিনী সেনগুপ্ত ও সপ্তর্ষি মৌলিকের সম্পর্ক শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত ও রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের কন্যা সোহিনী ২০১৩ সালে সপ্তর্ষির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে তাঁদের সম্পর্কের শুরু থেকেই নেটপাড়ায় ও টলিপাড়ায় বয়সের ফারাককে কেন্দ্র করে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে সোহিনীকে। কারণ, সোহিনী তাঁর স্বামীর থেকে বয়সে ১৪ বছর বড়। এমনকি কেউ কেউ ব্যঙ্গ করে সপ্তর্ষিকে তাঁর ছেলে বলেও উল্লেখ করেছেন।
সম্প্রতি ‘স্টেট আপ ইউথ’ শ্রী পডকাস্টে সেই কটাক্ষ নিয়েই মুখ খুলেছেন সোহিনী। তিনি জানান, “আমি কখনওই বয়সের ফারাক মনে করিনি। বরং আমার মনে হয়েছে, সপ্তর্ষি আমার থেকে অনেক বেশি পরিণত। এখনও কেউ কেউ বলে, সে নাকি পালিয়ে যাবে। আমি এসে বলি আমিও তো পালাতে পারি। তখন সে বলে—তুমি পালাতে পারবে না, কারণ আমি বেস্ট।”
সংসারের প্রথম দিনের কথাও স্মৃতিচারণ করেন তিনি। সেই সময় সপ্তর্ষি নান্দীকার থেকে মাত্র মাসে ৬০০–১৫০০ টাকা স্টাইপেন পেতেন। সোহিনী তখন স্কুলে চাকরি করতেন। সপ্তর্ষি সংসারের পুরো টাকা দিয়ে দিতেন এবং রিহার্সালের জায়গা পর্যন্ত হেঁটেই যাতায়াত করতেন। একবার খাবার খেতে না চাওয়ায় কারণ জানতে চাইলে সপ্তর্ষি বলেন, “সংসারের টাকায় এই খাবার হয় না।” তখনই সোহিনী ঠিক করেন, দু’জনেই পালা করে সংসার চালাবেন।
এর আগেও সোহিনীর একটি বিয়ে ভেঙেছিল। কিন্তু ২০১৩ সালে ‘নাচনী’ নাটকের সময় বন্ধুত্ব থেকে প্রেম এবং মাত্র তিন মাসের মধ্যেই তারা বিয়ে করেন। বয়সের ফারাক, কটাক্ষ, অতীত কিছুই তাঁদের আলাদা করতে পারেনি। টলিপাড়ার অন্যতম মিষ্টি জুটি হিসেবেই আজও পরিচিত সোহিনী সেনগুপ্ত ও সপ্তর্ষি মৌলিক।
এমকে/টিএ