আসন্ন নির্বাচনে কারা জিতবেন এটা এই মুহূর্তে ঢাকা শহরের মিলিয়ন ডলার মূল্যের কুশ্চেন। যেই জিতুক এবারের নির্বাচনে সবাই টেনশনে আছে মনে হচ্ছে। টেনশনে এবং ফ্রাস্টেশনে ডাঃ খালিদুজ্জামান মেজাজ হারিয়েছেন, আমি অবশ্য এ ধরণের সিচুয়েশনে সবসময় আগে চেয়ারে বসায়ে পানি খাওয়াই। আমি দেখেছি এতে কাজ হয়।
তবে সকল কিছুর ঊর্ধ্বে আমি নিশ্চিত বহু মানুষই আমার মতো ডাঃ জোবায়দা রহমানকে ফলো করছে। তিনি স্বামীর সাথে প্রায় সব প্রোগ্রামে স্টেজে থাকছেন এবং লাখো মানুষের অভিব্যক্তিকে নিশ্চিতভাবেই কাছে থেকে দেখছেন। তিনি নিশ্চয়ই উপলব্ধি করছেন জিয়া পরিবারের কাছে মানুষের আশা আকাঙ্খা। জানামতে তিনি ঢাকা মেডিকেলে ফাইনাল প্রপে ফার্স্ট হয়েছেন, লন্ডনে ইমপেরিয়াল কলেজেও এমএস এ ফার্স্ট। বিএনপি যদি সরকার গঠন করে তাহলে নিশ্চিতভাবেই প্রধানমন্ত্রী হবেন বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হিসেবে ডাঃ জোবায়দা রহমান এবার নির্বাহী পদে থাকেন বা না থাকেন রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে হলেও ওনার সংশ্লিষ্টতা থাকবেই। এটা বলছি এ কারণে যে, আমাদের দেশে পুরুষদের বয়স হয়ে গেলে হাড় ক্ষয়, হাত পা ব্যথা সহ নানাবিধ ব্যধিতে আক্রান্ত হয়। এ সময় স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যগণকেই পুরুষরা বেশী কাছে পান, ফলে তাদের পরামর্শ বড় প্রভাবক হয়ে উঠে একজন পুরুষের জীবন যাত্রায়। এছাড়া জনাব তারেক রহমান বাবা মা ভাই সবই হারিয়েছেন, ফলে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানের চেয়ে আপনজন আর কেউই না।
ডাঃ জোবায়দা রহমানের ইভেন্ট এবং আবহ অনুযায়ী কাপড়ের রঙ ও কস্টিউম চুজ করার এক দুর্দান্ত মনন রয়েছে। তিনি মৃদুভাষী অর্থাৎ মেপে বুঝে কথা বলেন, সবসময় মৃদু হাসি ধারণ করেন প্রোগ্রামে যা প্রিন্সেস ডায়ানার মধ্যে দেখা যেতো। এদেশের প্রধানমন্ত্রীরা সবসময় কঠোর এবং পারফেক্ট সিদ্ধান্ত সবসময় নিতে পারেননা কারণ অনেক প্রেশার গ্রূপ থাকে সরকারের ভেতরে, তাদের চাপ ও যুক্তির ধার অনেক সময় প্রধান নির্বাহীকে অজনপ্রিয় করে। প্রধান নির্বাহীর কোনো সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল তার ব্যবচ্ছেদ করতে পারবেন একজন মেধাবী প্রজ্ঞাবান আপনজন, এক্ষেত্রে ডাঃ জোবায়দা রহমান পারফেক্ট পারসন হতে পারেন। তাঁর কাছে বিষয় আশয় ভেন্টিলেট করার কার্যকরী চ্যানেল আছে বলেই মনে হচ্ছে।
মেধাবীরা রাজনীতিতে আসতে চাননা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য, কিন্তু তাঁরা চান প্রধান নির্বাহীর ঘনিষ্ঠ কাওকে যেন মনের কথাগুলো বলতে পারেন। তাঁরা আরো স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন যখন তাঁর চেয়েও মেধাবী কারো কাছে মনের কথা বলতে পারেন।
প্রতিদ্বন্ধী দলের আমিরের স্ত্রীকে আমি খুব একটা মিডিয়ায় দেখছিনা বলে তার দর্শন ও প্রজ্ঞা মূল্যায়ন করতে পারলামনা। আবারো বলছি কে জিতবে এটা এবার কেউ বলতে পারছেনা।
টিকে/