চলচ্চিত্র অঙ্গনে যখন একদিকে বাণিজ্যিক সাফল্যের মোহ, অন্যদিকে শিল্পমান রক্ষার লড়াই সেই বিভাজনের মাঝখানে ধীরে ধীরে এক সেতুবন্ধন হয়ে উঠছেন তৃপ্তি দিমরি। খুব বেশি হইচই নয়, বড় বড় ঘোষণা নয়, বরং নিঃশব্দ উপস্থিতি আর অভিনয়ের গভীরতায় নিজের জায়গা শক্ত করছেন এই অভিনেত্রী। ছোট পরিসরের আবেগঘন ছবিতে যেমন তিনি দর্শকের হৃদয় ছুঁয়েছেন, তেমনি বড় বাজেটের বহুল প্রতীক্ষিত ছবিতেও নিজের স্বাক্ষর রাখতে চলেছেন সমান আত্মবিশ্বাসে।
শুরুটা হয়েছিল সংবেদনশীল প্রেমকাহিনি দিয়ে, তারপর একের পর এক ভিন্নধর্মী চরিত্রে নিজেকে ভেঙে নতুন করে গড়েছেন তিনি। কখনও রহস্যঘেরা নীরবতা, কখনও তীব্র আবেগ, আবার কখনও জটিল মানসিকতার চরিত্র প্রতিটি ভূমিকাতেই তৃপ্তির অভিনয়ে ধরা পড়েছে সংযম, গভীরতা আর নতুনত্বের ছাপ। প্রচারের আলোকে তাড়া না করে, বরং নিজের কাজের মাধ্যমে দর্শকের দৃষ্টি কাড়াই যেন তাঁর কৌশল।
আগামী দিনে তাঁর হাতে রয়েছে একাধিক বড় প্রকল্প, যেখানে তিনি অভিনয় করছেন বরেণ্য নির্মাতা ও তারকাদের সঙ্গে। বিশেষ করে এক জনপ্রিয় অভিনেত্রীর সঙ্গে যুগল উপস্থিতি এবং খ্যাতিমান পরিচালকদের ছবিতে যুক্ত হওয়া সব মিলিয়ে তৃপ্তির ক্যারিয়ার এখন এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। বলিউডের প্রচলিত নায়িকা ধারণার বাইরে গিয়ে তিনি যেন ধীরে ধীরে নির্মাণ করছেন আধুনিক হিন্দি চলচ্চিত্রের এক নতুন মুখচ্ছবি।
ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের নয়, বাইরের একজন শিল্পী হয়েও নিজের পরিশ্রম ও প্রতিভায় সর্বভারতীয় পরিচিতি তৈরি করেছেন তৃপ্তি দিমরি। এখন আর তাঁকে কেবল উদীয়মান তারকা বলা চলে না; বরং অনেকের চোখে তিনি হয়ে উঠছেন নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের এক বিবর্তিত রূপ, যার উপস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরেই টিকে থাকার বার্তা দিচ্ছে।
এসএস/টিএ