নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় জামায়াত ও এনসিপির অন্তত সাত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। জামায়াতের পক্ষ থেকে এ হামলার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির দরজায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন— এনসিপির জেলা জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হাবিব উল্লাহ (২৭), দাঁড়িপাল্লার কর্মী জাহিদ (১৯), হৃদয় (২৭), অনিক (১৯), অপূর্ব (১৯), সাইফ (১৮) ও নজরুল ইসলাম সাগর (২৫)। আহতদের মধ্যে জাহিদকে গুরুতর অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাড়িপাল্লার জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন প্রার্থী মাওলানা বোরহান উদ্দিনের পক্ষে গণসংযোগে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি জাকির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, বিকেলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চলাকালে বিএনপির কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে প্রচারণায় অংশ নেওয়া জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা আহত হন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাখ্যা চন্দ্র দাস দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। খোঁজ নিয়ে পরে জানানো হবে।
নোয়াখালী জেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডা. বোরহান উদ্দিন দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ১১ দলীয় প্রার্থীর শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এতে আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউটি/টিএ