আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে আগামীকাল (৬ ফেব্রুয়ারি) দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তিনটি জেলা বরিশাল, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর সফর করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বরিশাল মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শুক্রবার বরিশাল বিভাগের তিন জেলায় টানা তিনটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ‘দাঁড়িপাল্লা’ ও জোটের প্রতীকের পক্ষে মাঠে নেমে প্রচারণা চালাবেন। হেলিকপ্টারযোগে এই সফর সম্পন্ন করা হবে, যাতে অল্প সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রার্থীদের পক্ষে জনমত গঠনের সুযোগ তৈরি হয়। এসব জনসভায় বরিশাল বিভাগের ২১টি সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এবং ১১ দলীয় জোটের মোট ২০ জন প্রার্থী উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
দলীয় সূত্র জানায়, ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় প্রথম নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন ডা. শফিকুর রহমান। এরপর সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে পটুয়াখালীর বাউফলে দ্বিতীয় জনসভায় বক্তব্য দেবেন। সর্বশেষে জুমার নামাজের পর পিরোজপুরের ঝালকাঠিতে তৃতীয় সমাবেশে অংশ নেবেন তিনি।
নেতাকর্মীরা মনে করছেন, একদিনের এই টানা নির্বাচনি প্রচারণা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে দলীয় শক্তি প্রদর্শন এবং ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছানোর কৌশল হিসেবে কাজ করবে।
বরিশাল-৪ (হিজলা–মেহেন্দিগঞ্জ–কাজিরহাট) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট আর.সি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগও করবেন। এ জন্য জনসভা বাস্তবায়ন কমিটি গঠনসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দের মতে, নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে এসে জামায়াত আমিরের এই সফর প্রার্থীদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে নতুন সমীকরণও তৈরি করতে পারে।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের পটুয়াখালীর বাউফল সফরকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, অন্যদলের নেতা দেখতে বাউফল থেকে বরিশাল গেছে কর্মীরা। আর আমাদের নেতা ৬ ফেব্রুয়ারি কর্মীদের দেখতে বাউফল আসবেন।
এমআর/টিকে