© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শহর মাতাতে প্রস্তুত লোপামুদ্রা মিত্র প্রোডাকশন ও ‘দোহার’

শেয়ার করুন:
শহর মাতাতে প্রস্তুত লোপামুদ্রা মিত্র প্রোডাকশন ও ‘দোহার’

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:০৭ পিএম | ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কলকাতার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে আবারও ফিরে আসছে লোকসঙ্গীতের আড্ডা, শিকড়ের সন্ধান আর সুরের মূর্ছনায় ভরা ‘সহজ পরব’। আগামী ৬, ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি তিলোত্তমায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এই উৎসবের অষ্টম সংস্করণ। লোপামুদ্রা মিত্র প্রোডাকশন ও ‘দোহার’-এর আয়োজনের এই উৎসব প্যালেস্টাইনের বেহালা থেকে বাংলার বাউল, মণিপুরি তালের জাদুতে শহরবাসীকে মাতাতে তৈরি।

২০১৪ সালে লোপামুদ্রা মিত্র ও প্রয়াত কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের উদ্যোগে যাত্রা শুরু ‘সহজ পরব’, আজ তা ১২ বছরে পা দিয়েছে। এবারের আসর ভারতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ ও জি.ডি. বিড়লা সভাঘরে বসবে। উৎসবের সূচনায় প্রথম দিন জাদুঘর প্রাঙ্গণে থাকবে ‘সহজ যাত্রা’। মুর্শিদাবাদের ঢাক, ঝুমুর, বিহু এবং শ্রীখোলের মিলিত ছন্দ যেন এক সুরের জাল বুনবে। সেই সঙ্গে খোদা বক্স ফকিরকে দেওয়া হবে বিশেষ সম্মান। থাকবে দিনাজপুরের মুখা নৃত্য, কাটোয়ার রণপা এবং তুলিকা মণ্ডল ও টুম্পা বর্মনের পরিবেশনায় ‘নারীশ্বর’।



পরবর্তী দু’দিনে জি.ডি. বিড়লা সভাঘরে সঙ্গীতপ্রেমীদের উপহার দেবে বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী পারভীন সুলতানা এবং প্যালেস্টাইনের বিশিষ্ট বেহালা বাদক আক্রম আব্দুলফতেহ। শেষ দিন অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি থাকবে লক্ষণ দাস বাউল, মিহুন এবং পার্বতী বাউলের গান। পাশাপাশি প্রল্হাদ সিং টিপানিয়া ও পার্বতী বাউলের বিরল যুগলবন্দী পরিবেশন হবে। উৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটবে হরিনাম সংকীর্তনের মাধ্যমে।

লোপামুদ্রা মিত্র বলেন, “ভারতীয় সঙ্গীতের শিকড় অনেক গভীরে। সেই সম্পদকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।” ‘দোহার’-এর পক্ষ থেকে রাজীব দাস জানান, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই পরব নিয়ে প্রবল উৎসাহ তৈরি হয়েছে। উপমহাদেশের নানা প্রান্তের শিল্পীদের এক ছাদের তলায় আনা এবং শহরের ক্লান্তি মুছে নতুন প্রাণ সঞ্চার করাই ‘সহজ পরব’-এর মূল উদ্দেশ্য।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন