রাজা-মধুবনীর ছেলে কেশবকে 'কাকাবাবু' লুকে দেখে মুগ্ধ প্রসেনজিৎ!
সরস্বতী পুজোর আবহে মুক্তি পেয়েছে কাকাবাবু সিরিজের নতুন ছবি ‘বিজয়নগরের হীরে’। এই ছবিতে কাকাবাবুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। আর সেই ছবিই ছেলে কেশবকে নিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন রাজা গোস্বামী ও মধুবনী গোস্বামী।
ছবি দেখে ফিরে এসেই কাকাবাবুর একেবারে ভক্ত হয়ে যায় ছোট্ট কেশব। কেশবের সেই কাকাবাবু-লুকের বেশ কয়েকটি ছবি শুক্রবার সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেন মধুবনী। ছবিতে চোখে চশমা, হাতে খেলনা বন্দুক, ছাতাকে ক্র্যাচের মতো ব্যবহার করে একেবারে কাকাবাবুর ঢঙেই দেখা যায় কেশবকে।

পোস্টে মধুবনী লেখেন, কয়েকদিন আগে তিনি ও রাজা কেশবকে নিয়ে যান সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা এবং প্রসেনজিৎ অভিনীত কাকাবাবু ছবি ‘বিজয়নগরের হীরে’ দেখতে। সেই সিনেমা দেখার পর থেকেই কেশব কাকাবাবুর “পাগল ফ্যান” হয়ে গিয়েছে। চশমা পরে, ছাতাকে ক্র্যাচ বানিয়ে পা টেনে টেনে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছে সে। শুধু তাই নয়, দ্বিতীয় ছবিতে কাকাবাবুর বিশ্বস্ত সহকারী সন্তু ভাইপোর চরিত্রে দেখা গিয়েছে মধুবনীকেই। মজার ছলে তিনি লেখেন, আগে সন্তুকে গিয়ে দুষ্কৃতীদের ধরতে হবে, তারপর কাকাবাবু এসে আসল রহস্য ভেদ করবেন।
এখন কেশব সব জায়গাতেই রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেএমনকি বাড়ির টিউব লাইটের আলো কমে যাওয়াতেও!
এই পোস্ট নজরে আসতেই খুদে কেশবকে ধন্যবাদ জানান পর্দার কাকাবাবু প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। নিজের পোস্টে তিনি লেখেন, কাকাবাবু শুধু একটি চরিত্র নয়এই চরিত্র যদি কাউকে কৌতূহলী করে তোলে, প্রশ্ন করতে শেখায় এবং বইয়ের দিকে টেনে আনে, তাহলেই তাঁদের পরিশ্রম সার্থক। কেশবের এই ভালোবাসা আর অনুসন্ধানী মনই তাঁদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি বলে জানান অভিনেতা।
প্রসেনজিতের এই মন্তব্যে আপ্লুত হয়ে পড়েন রাজা গোস্বামীও। সেই পোস্ট শেয়ার করে তিনি লেখেন, বুম্বাদার মন্তব্য দেখে তিনি এখনও ঘোরের মধ্যে রয়েছেন। জীবনে কোনওদিন লটারির টিকিট না কাটলেও, সেরা পুরস্কার যেন এই মুহূর্তেই পেয়ে গিয়েছেনএমনটাই লেখেন রাজা।
আরআই/টিকে

