‘দেবদাসের চন্দ্রমুখী কি মীরা বাই?’—মাধুরীর মন্তব্যে শোরগোল
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৩৯ পিএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা চরিত্রে দর্শকের মনে ছাপ ফেলেছেন মাধুরী দীক্ষিত। তবে ‘দেবদাস’-এর ‘চন্দ্রমুখী’র প্রতি দর্শকের বাড়তি দুর্বলতা রয়েছে। ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া এই আইকনিক ছবির শুটিং-পর্ব যে তার জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা, তা আবারও জানালেন ‘ধক ধক’ গার্ল। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়ার পাশাপাশি নিজের চরিত্রটিকে তিনি তুলনা করলেন মীরা বাইয়ের সঙ্গে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাধুরী বলেন, “বনশালিজি’র সঙ্গে কাজ করে অনেক কিছু শিখেছি। উনি আমাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে কাস্ট করেছিলেন। কেবল নাচের ছন্দ নয়, ছবির প্রতিটি দৃশ্যই কবিতার মতো মনে হয়।” তিনি আরও জানান, কড়া পরিচালক হিসেবে পরিচিত বনশালি আসলে ভীষণ যত্নবান। সেটে তিনি সবার খাওয়া-দাওয়ার খোঁজ নিতেন, যা মাধুরীকে মুগ্ধ করেছিল। অভিনেত্রীর কথায়, “বনশালিজি অসামান্য পরিচালক শুধু নন, তিনি অসাধারণ মানুষও। মানুষটি যে এমন, সেটা আগে বুঝিনি।”

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্যটি মাধুরী করেন তার চরিত্র নিয়ে। তিনি চন্দ্রমুখী এবং কিংবদন্তি কবি-সন্ত মীরা বাইয়ের মধ্যে একটি আধ্যাত্মিক সাদৃশ্য খুঁজে পান। মাধুরী ব্যাখ্যা করেন, চন্দ্রমুখীর প্রেমের গল্প এবং এমন একজনের প্রতি ভক্তি—যিনি তার অনুভূতির প্রতিদান দিতে অক্ষম, তা তাকে মীরার নিঃস্বার্থ আবেগের কথাই মনে করিয়ে দেয়। দেবদাসের প্রতি চন্দ্রমুখীর এই নিঃশর্ত ভালোবাসাই তাকে মীরা বাইয়ের সমতুল্য করে তুলেছে বলে মনে করেন অভিনেত্রী।
এসএন