© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

১৫ লাখ টাকা নির্বাচনি ব্যয়ের জন্য নেওয়া হচ্ছিল : এ্যানি

শেয়ার করুন:
১৫ লাখ টাকা নির্বাচনি ব্যয়ের জন্য নেওয়া হচ্ছিল : এ্যানি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:২১ পিএম | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের ঝুমুর এলাকায় সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে প্রার্থীর নির্বাচনি কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এই টাকা নির্বাচনি কেন্দ্রভিত্তিক খরচের টাকা ছিল বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। 

এর আগে রাত ৮টার দিকে শহরের ঝুমুর চত্বর থেকে টাকাসহ সেনাবাহিনী গাড়িটি জব্দ করার পর নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য লক্ষ্মীপুর যুগ্ম জজ আদালত-২ এর বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন কোর্ট পরিচালনা করেন।  ওই কৃষক দল নেতা শ্যামলসহ তিনজন ছিলেন।  

শ্যামল জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও তিনি শহরের আল-আমিন মেডিকেল হলের মালিক। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও নির্বাচন অনুসন্ধান টিম সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়েছে। কৃষকদল নেতা শ্যামলসহ তিনজন নির্বাচনকালীন ব্যবহৃত একটি গাড়িতে (ঢাকা মেট্টো-ঘ ১৭-১৩৭৭) যাচ্ছিলেন। চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশি করে ১৫ লাখ টাকা জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তাদেরকে জজ আদালতের ৪ তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন অভিযুক্তদের আধা ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমি নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত রয়েছে। আমার নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত গাড়ি চেক করা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে ঘটনাটি হয়েছে আমার নির্বাচনি এজেন্ট গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে যাচ্ছেন। সেখানে যে ব্যয় তন্মেধ্যে ১৫ লাখ টাকা কেন্দ্রভিত্তিক দেওয়ার জন্য আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন। কোর্ট থেকেও তা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি কেন্দ্র খরচ ছিল। 

তবে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ রেজাউল হক বলেন, ঝুমুর মোড়ে সেনাবাহিনীর চেক পোস্ট চলছে। গাড়িটি চেক করে টাকাভর্তি ব্যাগ পেয়ে সেনাবাহিনী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছে।

জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট পরিচালনা করে দেখেন যে সেখানে ১৫ লাখ টাকার মতো ছিল। যেহেতু এটি নির্বাচনি ফান্ডের টাকা এবং সব বৈধ কাগজপত্র আছে, বাজেটের ভেতরের টাকা, এতে বিনাশর্তে কোনো ধরনের জরিমানা ছাড়াই বিচারক তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন