১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হচ্ছে না শেরপুর-৩ আসনে
ছবি: সংগৃহীত
১০:৪৮ পিএম | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আকস্মিক মৃত্যুতে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইসি সচিব জানান, শেরপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বৈধ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মারা গেছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো সংসদীয় আসনে নির্বাচনের আগে যদি কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হয়, তবে সেই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার বিধান রয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (RPO) সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী, কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিল করবেন। ওই আসনে ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে পরবর্তীতে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নতুন তফসিলে যারা আগে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হয়েছিলেন, তাদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল বা জামানত জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে নতুন কোনো যোগ্য ব্যক্তি চাইলে এই সময়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।
শেরপুর-৩ আসন সম্পর্কে তথ্য
শেরপুর-৩ আসনটি শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে বড় দলগুলোর হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে লড়াই হওয়ার কথা ছিল।গত ৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ৩টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ পড়েন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল।
উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে নেওয়া পথে তিনি মারা যান।
তিনি জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৫১ বছর।
এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে ছিলেন বিএনপি মনোনীত মো. মাহমুদুল হক রুবেল। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন মো. আমিনুল ইসলাম।
এমআর/এসএন