© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পরাজয়ের পরও সম্প্রীতি ও সহযোগিতার রাজনীতির আহ্বান জামায়াত প্রার্থীর

শেয়ার করুন:
পরাজয়ের পরও সম্প্রীতি ও সহযোগিতার রাজনীতির আহ্বান জামায়াত প্রার্থীর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৫৭ এএম | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষ হওয়ার পর চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন সমীকরণ ও বিশ্লেষণ। নির্বাচন পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় '১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য' জোটের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা স্থানীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচনে বিজয়ী না হলেও তিনি পরাজয়ের ভাষা নয়, বরং ঐক্য, সম্প্রীতি এবং সহযোগিতার রাজনীতিকে সামনে এনে পটিয়ার রাজনীতিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যেবক্ষকরা।

ভোটের ফলাফলের পরও জনগণকেন্দ্রিক অবস্থান সুস্পষ্ট করে ডা. ফরিদুল আলম তার বক্তব্যে বলেন, যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন কিংবা দেননি আপনারা সবাই আমার কাছে সমানভাবে প্রিয় ও শ্রদ্ধেয়। রাজনীতিবিদদের মতে, এই বক্তব্য নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে গিয়ে জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক সংযোগ বজায় রাখার একটি কৌশল। নির্বাচনে জয়-পরাজয় যাই হোক, মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার বার্তা এতে স্পষ্ট। বিভাজনের রাজনীতির বিপরীতে সম্প্রীতির আহ্বান বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাচন পরবর্তী বিভক্তি, সংঘাত কিংবা প্রতিশোধমূলক রাজনীতির আশঙ্কা প্রায়ই দেখা যায়।

তবে ডা. ফরিদুল আলম বলেছেন, বিভাজন নয়, সম্প্রীতিই হবে আমাদের শক্তি। প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতাই হবে অগ্রগতির পথ।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এনামুল হক এনামের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের এমপি আলহাজ্ব এনামুল হক একা নন আমরা সকলে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাব।

স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনের পর প্রতিপক্ষকে সরাসরি আক্রমণ না করে উন্নয়নের স্বার্থে সহযোগিতার ইঙ্গিত দেওয়া স্থানীয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক বার্তা।
জামায়াতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান পটিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের উপস্থিতি দীর্ঘদিনের।


ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন