© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সামাজিক মাধ্যমে থেকে খেলোয়াড়দের দূরে থাকার পরামর্শ নেপাল কোচের

শেয়ার করুন:
সামাজিক মাধ্যমে থেকে খেলোয়াড়দের দূরে থাকার পরামর্শ নেপাল কোচের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৫১ এএম | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত আসরে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল নেপাল। অল্পের জন্য ইতিহাস গড়ে জেতা হয়নি তাদের। এবারের বিশ্বকাপেও তারা শুরুতে চমক দেখালেও বড় হার হেরেছে নবাগত ইতালির কাছে। টানা দুই হারের পর দলের খেলোয়াড়দের সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে থাকতে বললেন নেপাল কোচ স্টুয়ার্ট ল।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের সঙ্গে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল নেপাল। মাত্র ৪ রানে হারতে হয় তাদের। কিন্তু ইতালির বিপক্ষে একতরফা ম্যাচে তারা হেরেছে ১০ উইকেটে। টানা হারে ‘সি’ গ্রুপের তলানিতে নেমেছে দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ (রোববার) বাঁচামরার লড়াইয়ে দলের উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন- ‘সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে থাকো।’



সামাজিক মাধ্যমের বিশাল বিভ্রান্তির কথা বলে ল সতর্ক করেছেন, ‘আমি মনে করি এখন আমাদের যে বিষয়টি ভালোভাবে দেখতে হবে, সেটি হলো ইংল্যান্ড ও ইতালি ম্যাচের মধ্যে এত পার্থক্য কেন হলো সেই কারণ খোঁজার কাজ করতে হবে।’

সামাজিক মাধ্যম যে নেপালের সংস্কৃতির অংশ সেটা স্বীকার করে বাংলাদেশের সাবেক কোচ বললেন, ‘আমি মনে করি এই রুমে (সংবাদ সম্মেলনে) যে নেপালিরা আছেন, তারা বুঝবেন যে সামাজিক মাধ্যম নেপালি সংস্কৃতির একটি অংশ। তবে আমার মতে সামাজিক মাধ্যম বিশাল বিভ্রান্তি হতে পারে। আপনি যদি সামাজিক মাধ্যমে কী করছেন, সেখানে লোকেরা আপনাকে নিয়ে কী বলছে সেদিকে মনোযোগ দেন এবং দলের কী প্রয়োজন, সতীর্থরা কী বলছে, দলকে কী করতে হবে সেদিকে মনোযোগ না দেন তাহলে আসল কাজ থেকে আপনি ছিটকে যাবেন।’

নেপালের খেলোয়াড়দের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছেন ল। অস্ট্রেলিয়ান কোচ বললেন, ‘এটা কঠিন, কারণ অনেক খেলোয়াড় এনডোর্সমেন্ট ও স্পন্সরশিপের মতো বিষয়গুলোর জন্য এর ওপর নির্ভর করে। কিন্তু আমি এটাও মনে করি যে বিশ্বকাপে ক্রিকেট প্রধান বিষয়। আমি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে যদি ক্রিকেটে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখো, তাহলে এমনিতেই লাইক পাবে।’

‘নেপালে ক্রিকেট এগিয়ে যাচ্ছে এবং আমরা জিতছি, এটা দেখাতে পারলে আপনাদের বারবার নিজেদের মুখ দেখানোর (সোশ্যাল মিডিয়ায় উপস্থিত থাকার) প্রয়োজন নেই। তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনাদের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হবে। আমার জন্য এটি বোঝা কিছুটা কঠিন কারণ আমি সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে একজন ‘ডাইনোসর’ (সেকেলে মানুষ), আমি এগুলো বুঝি না।

আমি এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে জানি, কিন্তু ইতিবাচক দিকগুলো ঠিক বুঝে উঠতে পারি না। তাই আমিও এ বিষয়ে শিখছি এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছি, যাতে তারা এক নম্বরে তাদের ক্রিকেটে মনোযোগ দেয়। আর বাকি সব বিষয়কে আমি ‘বাজে কথা’ বা ‘বাজে কাজ’ বলি- আমি আজ ছেলেদেরও সেটা বলেছি- এসব ক্রিকেট থেকে দূরে রাখো, ক্রিকেটের বাইরে এসব করো। যখন তোমরা ক্রিকেটের ভেতরে আছ, তখন শুধু ক্রিকেটটাই খেলো।’


আরআই/ এসএন

মন্তব্য করুন