© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সংস্কারের পর যমুনায় উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
সংস্কারের পর যমুনায় উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৪৩ পিএম | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংস্কারের পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। যেটা বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসভবনের অনুসন্ধান শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানও নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বর্তমান সরকার। তাই ড. মুহাম্মদ ইউনূস যমুনা ছেড়ে গেলে সেটিকে সংস্কার করে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করা হবে। এটি সংস্কার করতে এক থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে এককভাবে সরকার গঠন করতে যেখানে অন্তত ১৫১টি আসন প্রয়োজন, সেখানে বিএনপি দুই শতাধিক আসনে জয়ী হয়ে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনের সমর্থন পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দলটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে যাচ্ছে।

নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত বিএনপির সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এটি অনেকটাই নিশ্চিত।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবন নির্ধারণে কাজ শুরু করেছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এজন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল, কমিটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের আবাসনের বিষয়ে সুপারিশও জমা দেয়। মূলত গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেয়। তারা শেরেবাংলা নগরে দুটি স্থান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। একটি হচ্ছে- শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবন এলাকার স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন, আরেকটি হচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এলাকা। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চেয়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকে বেশি উপযোগী বলে মনে করে কমিটি। সেই অনুযায়ী পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছিল। পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকেও বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে তা পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেয়।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওইদিন সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে ঢুকে পড়ে। এটিতে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বসবাস করতেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তর করে অন্তর্বর্তী সরকার।

এসএস/এসএন

মন্তব্য করুন