© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান: রফিকুল ইসলাম

শেয়ার করুন:
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান: রফিকুল ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৩৫ পিএম | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বহুল আলোচিত পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নৃশংস ঘটনার বিচার ও নিহতদের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আয়োজনে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
 
জামায়াতের এ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন,  এটি শুধু হত্যাকাণ্ড নয়, ডাল-ভাতের জন্য এ হত্যাকাণ্ড নয়, এর সঙ্গে জরিত ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান। দেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য করতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। কিন্তু সেদিন থেকে যেসব ব্যক্তি জরিত থাকার কথা শোনা যাচ্ছে, তাদের এখনও বিচারের আওতায় আনা হয়নি।
 
যারা কারাগারে ছিলেন, তাদের অনেকেই নিরপরাধ উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকারকে আহ্বান জানাই, এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করতে চাইলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসুন। তাদেট মূল পরিকল্পনা ছিল দেশপ্রেমিক সেনাসদস্যদের হত্যা করে দেশের সীমানকে অরক্ষিত করা। কিন্তু মানুষ হত্যা করে কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা যায় না।
 
এ সময় জামায়াতের এ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ভোট দিয়েছে দাঁড়িপাল্লায়, জয়লাভ করেছে অন্য কেউ। দেশে কী নির্বাচন হয়েছে, তা দেশের মানুষ জানে। ক্ষমতায় এলেই অনেকে মনে করেন দেশটা তাদের জমিদারি। কিন্তু এটা মনে করলে আবারও ব্যর্থ হবেন।
 
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করবেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্তা নেননি। একজন মন্ত্রী বলছেন, সমঝোতার মধ্য দিয়ে চাঁদা নিলে চাঁদাবাজি হবে না। তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা সরকারপ্রধান নেননি। নতুন সরকারও দলীয়করণ শুরু করেছে। মনে হচ্ছে তারা আগের সরকার থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে।
 
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দাবি-আলোচনার রহস্যের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার। কোনো এক অজানা কারণে নির্মম হত্যাকাণ্ডের রহস্যকে চাপা দিয়ে রাখা হচ্ছে বার বার।
 
গোলাম পরওয়ার বলেন, সেই সময়কার বিডিআর সদস্যদের বিনা অপরাধে বছরের পর বছর কারাগারে রাখা হয়েছে। তাদের মুক্তি দিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন