জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সাবেক র্যাপার বালেন্দ্র, প্রচারণার কেন্দ্রে সামাজিক মাধ্যম
ছবি: সংগৃহীত
১১:২১ এএম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আগামী ৫ মার্চ নেপালে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ২৭৫ সদস্যের আইনসভা গঠনে ভোট দেবেন প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ নাগরিক। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩ হাজার ৪শ’র বেশি প্রার্থী। এবারের নির্বাচনে জেন-জি ভোটারদের আকৃষ্ট করতে প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম হয়ে উঠেছে অন্যতম ভরসা।
আগামী ৫ মার্চ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে নেপালে চলছে ভোটের প্রস্তুতি। প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনী ইশতেহারে বড় দলগুলো দিচ্ছেন কর্মসংস্থান সংকট ও বিদেশমুখী শ্রমপ্রবাহ কমানোর প্রতিশ্রুতি।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জেন-জি’দের নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে কে পি শর্মা ওলি সরকারের পতনের পর এটিই হবে দেশটির প্রথম সাধারণ নির্বাচন। ২৭৫ সদস্যের আইনসভা গঠনে ভোট দেবেন প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ নাগরিক। তাদের মধ্যে ৮ লাখ ভোটার রয়েছেন, যারা এবারই ভোটার হয়েছেন।
ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব, এই দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে ২৭৫ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩,৪০০ জনের বেশি প্রার্থী।

এবারের নির্বাচনে আলোচনায় রয়েছে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এরমধ্যে সাবেক র্যাপার বালেন্দ্র শাহ’র স্বতন্ত্র পার্টি অন্যতম। বিশ্লেষকদের মতে, এবার দলটি অনেক ভালো ফল করতে পারে। শাহকে দলটির সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নেপালি কংগ্রেসও আরেকটি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। দলটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাকে সরিয়ে ৪৯ বছর বয়সি গগন থাপাকে নেতা নির্বাচিত করেছে। ভোটের মাঠে অন্য প্রধান খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছে ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল এবং সাবেক মাওবাদী নেতা প্রচণ্ড নেতৃত্বাধীন নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি।
গণমাধ্যম বলছে, নেপালের ঝাপা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের একটি ঝাপা-৫, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি অলির শক্ত ঘাঁটি। কিন্তু এবার সেখানে কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র ও সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, ফলে আসনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি লড়াইয়ের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

নির্বাচনে জেন-জি’দের ভোটকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের লক্ষ্য করেই বদলানো হয়েছে নির্বাচনী কৌশল। ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবকেন্দ্রিক প্রচারণা এখন প্রার্থীদের মূল ভরসা। কম খরচে দ্রুত পৌঁছানো ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার সুবিধাই ডিজিটাল মাধ্যমকে এগিয়ে দিচ্ছে। ফলে মাঠের পোস্টার-লিফলেটের দৃশ্যমান উপস্থিতি কমেছে চোখে পড়ার মতো।
টিজে/এসএন