© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

চেহারা নিয়ে কটাক্ষ, পুলিশের দ্বারস্থ শ্রাবন্তী! শিল্পীর হেনস্থায় কী বললেন স্বরূপ-পিয়া-পরম?

শেয়ার করুন:
চেহারা নিয়ে কটাক্ষ, পুলিশের দ্বারস্থ শ্রাবন্তী! শিল্পীর হেনস্থায় কী বললেন স্বরূপ-পিয়া-পরম?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:২৪ পিএম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সমাজমাধ্যমের উজ্জ্বল আলো যেমন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তেমনই তার অন্ধকারও কম নয়। সেই অন্ধকারের মুখোমুখি এবার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। চেহারা নিয়ে লাগাতার কটাক্ষ ও কুমন্তব্যে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন কলকাতা পুলিশের অপরাধদমন শাখার।

সম্প্রতি একটি নাচের অনুষ্ঠানের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। নির্দিষ্ট একটি চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ওজন বাড়িয়েছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্তু সেই পরিবর্তিত চেহারাকেই নিশানা করে সমাজমাধ্যমে ভেসে আসে একের পর এক নেতিবাচক মন্তব্য। শিল্পী হিসেবে নয়, ব্যক্তিগত আক্রমণের সুরেই বাড়তে থাকে হেনস্থা। শেষ পর্যন্ত আইনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

চলতি বছরের শুরুতেই সমাজমাধ্যমে শিল্পীদের হেনস্থা নিয়ে সরব হয়েছিল টলিপাড়া। সে সময় নগরপালের সঙ্গে বৈঠক করেন ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস, ইম্পা সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত এবং আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক শিল্পী ও প্রযোজক। তথ্যপ্রমাণ-সহ অভিযোগও জমা পড়েছিল। কিন্তু মাস ঘুরতেই আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।

শ্রাবন্তীর অভিযোগ সামনে আসার পর স্বরূপ জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। তাঁর মতে, শুধু অভিনেতা-অভিনেত্রী নন, পরিচালক ও প্রযোজকরাও একই সমস্যার মুখে পড়ছেন। শিল্পের অন্দরের কেউ কেউ নেপথ্যে জড়িয়ে থাকতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতি বদলাবে না বলেই মত তাঁর।



একই সুর পিয়ার কণ্ঠেও। সমাজমাধ্যমে কী লেখা যাবে, তার একটা সীমারেখা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। আগে অভিযোগ জানানো হলেও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আর আলোচনা হয়নি। তাই নতুন করে কঠিন সিদ্ধান্তের প্রয়োজনীয়তার কথাই তুলে ধরেছেন তিনি।

পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, অভিযোগ জানিয়ে শ্রাবন্তী ঠিক কাজই করেছেন। তাঁর কথায়, সমাজমাধ্যমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যেমন আছে, তেমনই সেই মত যদি কারও ক্ষতির কারণ হয়, তবে আইনের আশ্রয় নেওয়াও সমান জরুরি। হাতে মোবাইল ফোন থাকলেই যা খুশি লিখে দেওয়া যায় না এমন মত প্রযোজক রানা সরকারেরও।

টলিউডে শিল্পীদের বিরুদ্ধে কটাক্ষ নতুন নয়। এর আগেও পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বা অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় একই অভিযোগ তুলেছেন। তবে প্রশ্ন রয়ে যায়, কবে থামবে এই অনলাইন হেনস্থা? শিল্পীর কাজের সমালোচনা হোক, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ কি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য?

পিআর/টিকে



মন্তব্য করুন