‘ভেবেছিলাম সব ডাক্তারকে পাব’, আক্ষেপ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত
০৯:১২ পিএম | ০৭ মার্চ, ২০২৬
ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক সকাল ৮টা ৩০ মিনিট। সাধারণ রোগীরা যখন হাসপাতালের বারান্দায় ভিড় করতে শুরু করেছেন, ঠিক তখনই কোনো ধরনের প্রটোকল ছাড়াই পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে হাজির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। হাসপাতালে প্রবেশ করেই তিনি সরাসরি হাজিরা খাতা এবং ডিউটি রোস্টার যাচাই করেন। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা হাসপাতালে অবস্থান করেও কয়েকজন চিকিৎসক ও কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
শনিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হাসপাতালে উপস্থিত হন তিনি। মূলত চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতি ও সেবার মান যাচাই করতেই এই ঝটিকা সফর করেন মন্ত্রী।
এরপর জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি ল্যাব ও বহির্বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ওষুধের মজুদ ঠিক আছে কি না, যাচাই করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। পরে সরাসরি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন মন্ত্রী।
এ সময় সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে একটি গণমাধ্যমে প্রতিবেদন হওয়ায় ভেবেছিলাম, সব ডাক্তারকে পাব। সাতজন ডাক্তারকে অনুপস্থিত পেয়েছি।
আলোচনা করে নিয়ম অনুযায়ী যা করা দরকার, তাই করব। প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না।’
এস ময় উপস্থিত ছিলেন পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশতিয়াক আহমেদ, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আতিকুল ইসলাম, হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
চিকিৎসকদের অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ২১ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৫ জন দেরি করে হাসপাতালে এসেছেন আর ২ জন অনুপস্থিত। বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকে দেখা যাচ্ছে, দেরি করে আসা চিকিৎসকেরা কেউ সাড়ে ৯টা, কেউ পৌনে ১০টায় হাসপাতালে এসেছেন।
এমআই/টিকে