© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঈদগাহ মাঠের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

শেয়ার করুন:
ঈদগাহ মাঠের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:১৪ এএম | ০৮ মার্চ, ২০২৬
রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঈদগাহ মাঠের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে বেলপুকুর থানার বাঁশপুকুরিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঁশপুকুরিয়া দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ মাঠের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে বেলপুকুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও বিএনপি সমর্থক আব্দুল ওয়াহেদ এবং একই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মমিনের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। শুক্রবার রাত-৯ টার দিকে এই বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এর আগে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে-৭ দিকে মমিনের ভাতিজা খোরশেদ ও তার ছেলে জয় বাঁশপুকুরিয়া বাজারে আসলে আব্দুল ওয়াহেদ মেম্বার, তার ভাই আবু সাইদ এবং ছেলে জয় ও সোহানসহ তাদের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় খোরশেদ ও জয় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে জখম হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তারা রামেক হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হামলার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মমিন সমর্থিত লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বাঁশপুকুরিয়া বাজারে পাল্টা হামলা চালায়। তারা সেখানে ওয়াহেদ মেম্বারকে না পেয়ে তার ভাতিজা আনিসুর রহমানের কীটনাশকের দোকান এবং ওয়াহেদ মেম্বারের গ্রুপ নিয়ন্ত্রিত বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র রাস্তায় বের করে এনে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার সংবাদ পেয়ে বেলপুকুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুনুর রশিদ বলেন, ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় আহতেরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযোগ সাপেক্ষে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউটি/টিএ


মন্তব্য করুন