© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরানের হামলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিলেন ইসরায়েলি মন্ত্রী

শেয়ার করুন:
ইরানের হামলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিলেন ইসরায়েলি মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:০৮ পিএম | ১১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলে সাধারণ মানুষের আকাশপথে যাতায়াত চরমভাবে সীমিত থাকলেও সামাজিক সমতা বিষয়ক মন্ত্রী মে গোলান দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন। জাতিসংঘ আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার (৯ মার্চ) সকালে তিনি নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হন।

ইসরায়েলি সাংবাদিক উরি মিসগাভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিমানের বিজনেস ক্লাসে বসে থাকা গোলানের একটি ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এমন এক সময়ে তিনি এই সফর করছেন যখন ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় দেশটির বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ ইসরায়েলি ও বিদেশি পর্যটকদের জন্য দেশ ত্যাগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইসরায়েলের আকাশপথ মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে, যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালায় এবং জবাবে ইরান বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু করে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি দেশ ছাড়তে ইচ্ছুক মার্কিন নাগরিকদের মিশরের সীমান্ত ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন।

রোববার বেন গুরিওন বিমানবন্দর আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার পর মাত্র কয়েকশ যাত্রী দেশ ছাড়ার সুযোগ পান। তবে বর্তমানে প্রতি ঘণ্টায় মাত্র দুটি ছোট আকারের বিমান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, যেখানে যাত্রী ধারণক্ষমতা মাত্র ৭০ থেকে ১০০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।


মে গোলানের এই সফর নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলীয় নেত্রী ও পার্লামেন্ট সদস্য ভ্লাদিমির বেলিয়াক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধের এই চরম সংকটে যখন সাধারণ মানুষ পরিত্যক্ত বোধ করছে এবং খোদ মন্ত্রীর দপ্তরের বাজেট কাটছাঁট করা হয়েছে, তখন বিশাল দলবল নিয়ে জাতিসংঘে বক্তব্য দিতে যাওয়া অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জন্য টিকিট পাওয়া যেখানে দুঃসাধ্য, সেখানে একজন মন্ত্রীর বিজনেস ক্লাসে ভ্রমণ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

সূত্র: দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল

মন্তব্য করুন