১১৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, সমতায় ফিরল পাকিস্তান
ছবি: সংগৃহীত
১১:৪২ পিএম | ১৩ মার্চ, ২০২৬
বৃষ্টি হানা দেওয়ার আগে ৬.৩ ওভারে ২৭ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। ফলে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে উঠে আরও চ্যালেঞ্জিং।
পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে লিটন-হৃদয়দের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ, বাকি ২৫.৩ ওভারে লিটন-হৃদয়দের ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই গুটিয়ে গেছে মেহেদী মিরাজের দল।
১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান। এর আগে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারীরা মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ার ৮ উইকেটের বড় জয় পায় বাংলাদেশ। আজ (শুক্রবার) দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিকরাও সমান ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ এবং তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন।

মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর আউট হয়েছেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরেছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। তিনি রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে ক্রিজে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতোই আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দু’জনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন লিটন। ফেরার আগে করলেন ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরালেন তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারালেন। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই বাংলাদেশ ৬ উইকেট হারিয়েছে। অথচ তখনও ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজনির্ধারণী লড়াই। আগামী ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৪ রান করলে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
আইকে/টিএ