বড় ব্যবধানের জয় দিয়ে মুস্তাফিজ-ইমনের পিএসএল যাত্রা শুরু
ছবি: সংগৃহীত
০২:০২ এএম | ২৭ মার্চ, ২০২৬
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচেই দাপট দেখাল লাহোর কালান্দার্স। নিজেদের ঘরের মাঠে হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে ৬৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে তারা। ম্যাচে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান মিতব্যয়ী বোলিং করলেও নিয়েছেন একটি উইকেট।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দেখে-শুনে করে লাহোর। ওপেনাররা ফখর ও নাইম পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। প্রথম ছয় ওভারে আসে ৬৪ রান, যা ইনিংসের ভিত গড়ে দেয়। পরে ব্যাটিং গতি বাড়াতে থাকেন তারা।
ইনিংসের নবম ওভারে প্রথম ধাক্কা খায় লাহোর, যখন ১৯ বলে ৩০ রান করা নাইম ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দেন। এরপর ফখর দ্রুত রান তুলতে থাকেন এবং ৩৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। তবে ফিফটি করার পরপরই ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফেরেন আব্দুল্লাহ শফিক।
ফখর ৩৯ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে আউট হন, যেখানে ছিল ১০টি চার। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট হারালেও লাহোরকে এগিয়ে নেন হাসিবুল্লাহ ও জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। রাজা ১০ বলে ২৪ রানের দ্রুত ইনিংস খেলেন, আর হাসিবুল্লাহ অপরাজিত থাকেন ২৮ বলে ৪০ রানে। সব মিলিয়ে লাহোর ৬ উইকেটে ১৯৯ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতে দ্রুত রান তোলে হায়দরাবাদের ওপেনার সাইম আইয়ুব ও উসমান খান। তবে শাহীন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বে লাহোরের বোলিং আক্রমণ দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। উসমান ৯ রানে এবং সাইম ১৭ রানে ফিরে যান।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে হায়দরাবাদ। সিকান্দার রাজা ও হারিস রউফ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নেন। এক পর্যায়ে ৫৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি।
এই ম্যাচে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ছিলেন অত্যন্ত কৃপণ। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দেন এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে তার কাটার ও ভ্যারিয়েশন হায়দরাবাদের ব্যাটারদের রান তোলার গতি কমিয়ে দেয়।
শেষ পর্যন্ত হায়দরাবাদের ইনিংস থেমে যায় ১৩০ রানে, ফলে ৬৯ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাহোর। লাহোরের বোলারদের মধ্যে শাহীন, হারিস ও রাজা সবাই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
এই জয়ে পিএসএল শুরু করল লাহোর, আর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে নজর কাড়লেন মুস্তাফিজসহ লাহোরের বোলিং ইউনিট।
এসকে/টিএ