© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘তারেক রহমানকে নির্যাতনের টিমে ছিলেন আফজাল, চিকিৎসা নিতে দেননি খালেদা জিয়াকে’

শেয়ার করুন:
‘তারেক রহমানকে নির্যাতনের টিমে ছিলেন আফজাল, চিকিৎসা নিতে দেননি খালেদা জিয়াকে’

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৬ পিএম | ৩০ মার্চ, ২০২৬
মিরপুর মডেল থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) আফজাল নাছেরের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে ডিজিএফআই নির্যাতন করেছিল। সেই টিমের সদস্য ছিলেন আফজাল নাছের। তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের দমন ও নির্যাতন করেছেন। মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রেখে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল শেখ হাসিনা।

 তাকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি। নিরুপায় হয়ে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে ইউনাইটেড গ্রুপের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়ায় তিনি খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা নিতে দেননি। বরখাস্ত হয়েও তিনি নানাভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন। তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনার সহযোগী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনাকে রক্ষা করার জন্য কাজ করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তার সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করেছি।’

এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলাল উদ্দিন জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, ‘এই মামলায় আসামির নাম ছাড়া সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। বিগত দিনে যদি তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতেন তাহলে আওয়ামী লীগ তাকে পুরস্কৃত করার কথা। কিন্তু তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি রুটিরুজির জন্য ইউনাইটেড গ্রুপে চাকরি করেন। সাত দিনের রিমান্ড বাতিল করে জামিনের প্রার্থনা করছি।’ 

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হামলা চালানো হয়। আসামিরা বিভিন্ন দিক থেকে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ২১ জুলাই সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছা. লিজা বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।


ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন