© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ শিশুর হাম-রুবেলা শনাক্ত, নেই টিকা

শেয়ার করুন:
ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ শিশুর হাম-রুবেলা শনাক্ত, নেই টিকা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৪২ এএম | ০১ এপ্রিল, ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন করে চার শিশুর শরীরে হাম ও রুবেলা শনাক্ত হয়েছে। সদর উপজেলা, রাণীশংকৈল ও হরিপুরে রোগী শনাক্তের পর এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত শিশুদের কেউই আগে টিকার আওতায় ছিল না বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

এদিকে মাঠপর্যায়ে সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও জেলায় দেখা দিয়েছে বড় সংকট। হাম-রুবেলা টিকার মজুত শূন্য, ফলে দ্রুত টিকা সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২০ সালের পর দেশে আর কোনো বড় জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন হয়নি। পাশাপাশি নিয়মিত সরবরাহেও ব্যত্যয় ঘটেছে। এর ফলে দীর্ঘদিনের ঘাটতি এখন প্রকট রূপ নিয়েছে।

ইপিআইর তথ্য বলছে, কোনো এলাকায় টিকার ঘাটতি দেখা দিলে হাম-রুবেলার সংক্রমণ কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকে ১ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু- কিশোররা যারা নিয়মিত টিকার বাইরে রয়েছে বা যাদের দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন হয়নি।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের জ্বরের সঙ্গে শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ দেখা দিলে অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। অবহেলা করলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় হাম-রুবেলা সংক্রমণ বাড়ছে এ তথ্য আগেই মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছিল। টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যাঘাত ঘটলে হাম দ্রুত ছড়ায়। আমরা কয়েক মাস ধরে সতর্ক করেছি, কিন্তু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ যথাসময়ে নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. আনিছুর রহমান বলেন, হাম-রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক। আক্রান্ত শিশুরা যে এলাকায় থাকে, সেখানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা সদর হাসপাতালে বিশেষ ‘হাম-রুবেলা আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত শিশুদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তাদের সংস্পর্শে আসা পরিবারগুলোকে বিশেষ তত্ত্বাবধানে রাখা হচ্ছে।

আরআই/এসএন

মন্তব্য করুন