© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মার্কিন বিমান ভূপাতিত করার পর ইরানে উল্লাস

শেয়ার করুন:
মার্কিন বিমান ভূপাতিত করার পর ইরানে উল্লাস

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৪৫ এএম | ০৪ এপ্রিল, ২০২৬
শুক্রবার ভোরে প্রথম মার্কিন বিমানটি ভূপাতিত করা হয় এবং এর পাইলটের খোঁজে বর্তমানে তল্লাশি চলছে। দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের ওই এলাকার বেসামরিক নাগরিকদের এই তল্লাশি অভিযানে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অপর বিমানটি হরমোজ প্রণালীর কাছে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিধ্বস্ত হয় এবং ইরানের সামরিক বাহিনীর দাবি, এটিও তারা গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এটি ছিল একটি এ-১০ ওয়ারথগ (A-10 Warthog) যুদ্ধবিমান। ওই বিমানের পাইলটদের খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ইরানে অত্যন্ত গর্ব ও উচ্ছ্বাসের সাথে এই বিবৃতিগুলো প্রকাশ করা হয়েছে।

যুদ্ধের শুরু থেকেই প্রতি রাতে রাস্তায় সাধারণ মানুষকে উদযাপন করতে দেখা গেছে, তবে আজকের উদযাপনে এক নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। ইরানিরা বলছে, প্রথম দিন থেকে তারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছিল, এটি তারই বাস্তবায়ন। তারা নতুন চমক দেখানোর কথা বলে আসছিল এবং জানিয়েছিল যে এই যুদ্ধে এখনও ব্যবহার করা হয়নি এমন সক্ষমতা তাদের রয়েছে। তাদের মতে, আজকের ঘটনার মধ্য দিয়েই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেল।

তারা সামনে আরও হামলার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে এবং বলছে যে, ইরানি সেনাবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করে আমেরিকানরা বড় ভুল করেছে। এখানকার সার্বিক বার্তাটি হলো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া এবং বিজয়ের। জনগণ এটিকে ইরানি সেনাবাহিনীর একটি দুর্দান্ত সাফল্য হিসেবে দেখছে, যা সেনাবাহিনী এবং সরকার সমর্থক সাধারণ মানুষের মনোবলকে নতুন করে চাঙ্গা করে তুলেছে।

বিবৃতিগুলোতে বিস্তারিত তথ্যের কিছুটা ঘাটতি থাকলেও, দুটি বিমান ভূপাতিত করার বিষয়টি তারা স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার ও ড্রোনকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং এর মধ্যে কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলেও তারা জানিয়েছে।

ইরানিদের দাবি, এসব ঘটনাই প্রমাণ করে যে ইরান এই লড়াই দীর্ঘ সময় চালিয়ে যেতে সক্ষম। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- তাদের বিশ্বাস, আমেরিকানদের সাথে এই সংঘাতে শেষ হাসি তারাই হাসতে যাচ্ছে।

এসএস/টিএ

মন্তব্য করুন