কারা রাজাকার ছিল, সেই বিষয়গুলো বলে কারও মনে কষ্ট দিতে চাই না: জয়নুল আবদিন
ছবি: সংগৃহীত
০১:০৩ এএম | ০৬ এপ্রিল, ২০২৬
সংসদে রাজনৈতিক বক্তব্যে অতীতের সংবেদনশীল ইস্যু না টেনে বর্তমান বাস্তবতায় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তার মতে, ইতিহাসের বিতর্কিত অধ্যায় নিয়ে নতুন করে আলোচনা করে সমাজে বিভাজন তৈরি করা উচিত নয়।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন বিভিন্ন পরিচয়- যেমন রাজাকার বা শান্তি বাহিনী নিয়ে এখন আর কাউকে আঘাত দিতে চান না বরং তিনি গুরুত্ব দিতে চান সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের চেতনায়।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যা জাতীয়ভাবে সম্মান পাওয়ার যোগ্য। তিনি বলেন, যারা এই আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির অবদানও বিবেচনায় রাখা উচিত।
সংসদ সদস্য আরও বলেন, দেশের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে ঐক্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, যা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
দলীয় আদর্শ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দীর্ঘদিন ধরে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এ সময় তিনি জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার অবদানও তুলে ধরেন।
বিরোধী দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে বক্তব্যে ভিন্নতা থাকা উচিত নয়। রাজনৈতিক অবস্থানে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অতীতের বিতর্ক উসকে না দিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করাই এখন সময়ের দাবি।
টিজে/টিএ